দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে বৃদ্ধ বয়সে অনেকেই কানে কম শোনেন। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে কানের ভেতরের স্নায়ু ও রক্তজালিকাগুলো ক্ষতি করতে শুরু করে। আবার রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত কমে গেলে শ্রবণশক্তিতে সাহায্যকারী স্নায়ুগুলোর কর্ম ক্ষমতা কমে যায়, মস্তিষ্কে সঠিক নির্দেশ পাঠাতে পারে না। ফলে শ্রবণশক্তি কমে যায়। এক্ষেত্রে শরীরের ভারসাম্যও বিঘ্নিত হতে পারে।
আরো পড়ুন: ভয়াবহ নয় রোগ থেকে বাঁচতে খান দেশি বরই
.png)
বার্ধক্যজনিত কারণেও শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে। তাছাড়াও নির্দিষ্ট কোনো ওষুধের পার্শপ্রতিক্রিয়ায়, জিনগত কারণে কিংবা অতিরিক্ত ধূমপানের ফলেও মানুষ শ্রবণশক্তি হারাতে পারেন।
ডায়াবেটিসের রোগীরা কীভাবে সাবধান হবেন?
>> রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখলেই কানের স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে। প্রতি সপ্তাহে রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করানো ভীষণ জরুরি। শর্করার মাত্রা বেশি হলে খাদ্যাভাস এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতেই হবে। নইলে হারাতে পারেন শ্রবণশক্তি।
>> ডায়াবেটিস রোগীরা বছরে অন্তত এক বার অবশ্যই কানের পরীক্ষা করাবেন। সেক্ষেত্রে কোনো সমস্যা ধরা পরলে আগে থেকেই চিকিত্সা শুরু করা যাবে।
>> ডায়াবেটিস রোগীদের খুব বেশি আওয়াজের মধ্যে না থাকাই ভালো। এতে কানের ক্ষতি হতে পারে।
>> অনেক ওযুধের পার্শপ্রতিক্রিয়ায় শ্রবণশক্তি দুর্বল হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে চিকিত্কের সঙ্গে পরামর্শ না করে ওষুধ না খাওয়াই ভালো।