পুষ্টিবিদরা বলছেন, সুস্থ-সবল সন্তান রাখতে চাইলে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কয়েকটি খাবার রাখতেই হবে। আর তা হলো-
মাছ
অন্তঃসত্ত্বাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় মাছ রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন পুষ্টিবিদরা। বিশেষ করে যে মাছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। সামুদ্রিক মাছেই সাধারণত ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, এই মাছ অনাগত সন্তানের মস্তিষ্ক গঠনে সাহায্য করে। বুদ্ধির প্রখরতা বাড়াতেও সামুদ্রিক মাছ দারুণ উপকারী।
.png)
আখরোট
ফাইবার, ভিটামিন ই-এর সমৃদ্ধ উৎস হলো আখরোট। এই বাদাম শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। রোগের সঙ্গে লড়তেও সাহায্য করে। শীতকাল মানেই সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। শীতকালীন সংক্রমণ কমাতে অন্তঃসত্ত্বারা ভরসা রাখতে পারেন আখরোটের ওপর। আখরোটে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের সমৃদ্ধ উৎস। শীতকালে অন্তঃসত্ত্বা হলে অবশ্যই আখরোট খেতে হবে।
দই
দইতে ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিনের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে, যা গর্ভাবস্থার জন্য খুবই ভালো। তাই গর্ভবতী নারীদের জন্যও দই অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর খাবার। অনাগত সন্তানের হাড়ের যত্ন নিতে এই সময় দই খেতে হবে বেশি করে। মায়ের পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও প্রতিদিন দই খাওয়া জরুরি।
ডাল
ডালের মতো পুষ্টিকর খাবার খুব কমই রয়েছে। এটি শরীরে পুষ্টি জোগাতে অনবদ্য ভূমিকা রাখে। মসুর ডাল, অড়হড় ডাল, রাজমার মতো ডালগুলো অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বেশি করে খাওয়ার পরমর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। তাই ফাইবার, প্রোটিন, আয়রন, ক্যালশিয়াম, ভিটামিন বি-সমৃদ্ধ ডাল গর্ভাবস্থার প্রথম কয়েক মাসে খাওয়া জরুরি।
মটরশুঁটি
মটরশুঁটির মতো উপকারী সবজি খুব কমই আছে। ফলিক অ্যাসিডের সমৃদ্ধ উৎস মটরশুঁটি। এই অ্যাসিড অনাগত সন্তানের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। মস্তিষ্কের প্রতিটি কোষ সচল রাখে। এমনিক দুগ্ধের উৎপাদন বাড়াতেও মটরশুঁটি সাহায্য করে।
সূত্র: আনন্দবাজার