ঢাকা,  সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

[ তথ্য প্রযুক্তি ]

৫ নভেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:১৭, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
৫ নভেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট
ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির উদ্ভাবন, ব্যবসায়িক ব্যবহার ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনা তুলে ধরতে আগামী ৫ নভেম্বর রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬’। এতে শতাধিক এআইভিত্তিক স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

সামিটের প্রস্তুতি ও বিভিন্ন উপকমিটির কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে রোববার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় আয়োজক উপকমিটিগুলোর আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) প্রতিনিধিরাও ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত হন।

সভায় সামিটের সার্বিক আয়োজন, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি প্রদর্শনী, আলোচনা অধিবেশন ও ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো, নতুন উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেওয়া এবং শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আয়োজকরা জানান, সামিটে শতাধিক এআইভিত্তিক স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানের প্রদর্শনী স্টল থাকবে। এসব স্টলে উদ্যোক্তারা তাঁদের তৈরি প্রযুক্তি, পণ্য, সেবা এবং বাস্তব সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তুলে ধরবেন।

এর মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে।

সামিটে এআই প্রযুক্তির বর্তমান অগ্রগতি, ব্যবসায়িক প্রয়োগ, উদ্ভাবন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে তিনটি আলোচনা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে করপোরেট প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, প্রযুক্তিবিদ ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

আলোচনায় দেশীয় উদ্ভাবনের বাণিজ্যিক ব্যবহার, দক্ষ জনবল তৈরি, শিল্প খাতে এআই প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

প্রস্তুতিমূলক সভায় সামিট সফল করতে সংশ্লিষ্ট উপকমিটিগুলোকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয়, প্রদর্শনীর প্রস্তুতি এবং আলোচনা অধিবেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ সামিট দেশে এআইভিত্তিক উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

আগামী বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং ডিসিসিআই সভাপতির উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি যৌথভাবে এ সামিটের আয়োজন করছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!