এরপর ওই নারী ও গাড়ির চালক তার স্বামী জোর করে ওই শিক্ষার্থীকে গাড়িতে তুলে নেন। নিয়ে যান তাদের বাড়িতে। এরপর সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন ওই ব্যক্তি এবং তা ভিডিও করেন তার স্ত্রী।
ঘটনাটি গত বছরের আগস্টের। পাকিস্তানের আল্লামা ইকবাল ওপেন ইউনিভার্সিটির এমএসসির শিক্ষার্থী এই তরুণী। তাকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় গত সোমবার রায় ঘোষণা করেন রাওয়ালপিন্ডির একটি আদালত। মঙ্গলবার পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডনের খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
.png)
রাওয়ালপিন্ডির অতিরিক্ত সেশন জজ জাহাঙ্গীর আলী গোন্ডাল মূল আসামি ৩৩ বছর বয়সী কাসিম জাহাঙ্গীরকে ধর্ষণের দায়ে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ লাখ রুপি জরিমানা করেন।
অপহরণের দায়ে তাকে (কাসিম) আজীবন কারাদণ্ড ও ১০ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়। জরিমানা না দিলে তাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া ইলেকট্রনিক ক্রাইমস অ্যাক্ট, ২০১৬ অনুযায়ী তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়।
পাশাপাশি আদালত ক্ষতিপূরণ হিসেবে ওই ছাত্রীকে ১০ লাখ রুপি দিতে কাসিমকে নির্দেশ দিয়েছেন। আর তা দিতে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
অন্যদিকে অপহরণের দায়ে কাসিমের স্ত্রী ২৪ বছরের কিরণ মেহমদুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ইলেকট্রনিক ক্রাইমস অ্যাক্ট, ২০১৬ অনুযায়ী তাকেও তিন বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়।
আদালত ক্ষতিপূরণ হিসেবে ওই ছাত্রীকে ১০ লাখ রুপি দিতে কাসিমকে নির্দেশ দিয়েছেন। আর তা দিতে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
পুলিশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ডনকে বলেন, দণ্ডিত ওই ব্যক্তি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। তিনি ৪৫টি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে যৌন হয়রানি এবং তাদের ছবি ও ভিডিও তৈরি করেছেন বলে স্বীকার করেছেন। তবে পুলিশ যখন ওই শিশু-কিশোরীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তখন কেউই সামাজিক লোকলজ্জার ভয়ে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি। পুলিশ এসব ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার সহায়তা চেয়েছে।