ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ওমান উপসাগরে ট্যাংকার ছিনতাই, অভিযোগ ইরানের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪:৪৬, ৪ আগস্ট ২০২১
ওমান উপসাগরে ট্যাংকার ছিনতাই, অভিযোগ ইরানের বিরুদ্ধে
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপসাগরে পানামার পতাকাবাহী একটি ট্যাংকার ছিনতাইয়ের পর সেটিকে ইরানের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নৌযানের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান লয়েডস লিস্ট মেরিটাইম ইন্টেলিজেন্স এ তথ্য জানিয়েছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ছিনতাই হওয়া ট্যাংকারটির নাম এমভি অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেস। এটিতে বিটুমিন বহন করা হয়। এ মুহূর্তে ট্যাংকারটি হরমুজ প্রণালির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে লয়েডস লিস্ট মেরিটাইম ইন্টেলিজেন্স।

হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। নৌপথে পাঁচ ভাগের এক ভাগ জ্বালানি তেলই এ প্রণালি দিয়ে আনা-নেওয়া করা হয়।

Advertisement

এদিকে ট্যাংকারটি কারা ছিনতাই করেছে, তা এখনো স্পষ্ট না। এর পেছনে ইরানের হাত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা। তবে এ অভিযোগ সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। এটিকে তেহরানের বিরুদ্ধে ‘শত্রুতামূলক পদক্ষেপ’ বলে দাবি করেছে দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল শেকারচি স্থানীয় একটি গণমাধ্যমকে বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে নৌ দুর্ঘটনা ও ছিনতাইয়ের ঘটনার কথা বলে মূলত এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।’

কয়েক দিন আগেও ওমান উপসাগরে ইসরায়েলি মালিকানাধীন একটি ট্যাংকার হামলার শিকার হয়। এতে ওই ট্যাংকারের দুই ক্রু নিহত হন। তারা যুক্তরাজ্য ও রোমানিয়ার নাগরিক। এ নিয়ে ইরানের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরোধ বাড়ছে। কারণ, ওই হামলার জন্যও ইরানকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েল। এ পরিস্থিতিতে নতুন করে এই ঘটনা ঘটল।

এমভি অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেস ছিনতাইয়ের বিষয়ে বিবিসির নিরাপত্তাবিষয়ক প্রতিবেদক ফ্রাঙ্ক গার্ডনার বলেন, ট্যাংকারটির মালিক দুবাইভিত্তিক একটি কোম্পানি। দুই বছর আগে এ প্রতিষ্ঠানের একটি ট্যাংকার ছিনতাই করেছিল ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড।

ফ্রাঙ্ক গার্ডনার বলেন, এমভি অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেস হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের একটু আগে সেটিতে নয় সশস্ত্র ব্যক্তি ওঠেন। তারাই এটি ছিনতাই করেন।

এদিকে ট্যাংকার ছিনতাইয়ের বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র। ঘটনাটিকে ‘খুবই বিরক্তিকর’ বলে উল্লেখ করেছে হোয়াইট হাউস।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!