সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অফ মিয়ানমার জানিয়েছে, সু চির বিরুদ্ধে নির্বাচন জালিয়াতি এবং আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছিল। তবে অভিযোগ আনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে আদালতের কার্যক্রম কখন শুরু হবে তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।
অং সন সু চি ছাড়াও দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট এবং নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যানসহ আরো ১৫ জন কর্মকর্তা একই অভিযোগ আনা হয়েছে।
.png)
চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারিতে একটি সামরিক অভ্যুত্থান দেশব্যাপী বিক্ষোভ এবং ভিন্নমতের বিরুদ্ধে মারাত্মক দমনপীড়নের জন্ম দেওয়ার পর থেকে মিয়ানমারে অস্থিরতা চলছে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কারাগারি বন্দি করা হয়েছে গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সন সুচি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতা কর্মীকে।
অভ্যুত্থানের পর ৭৬ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ওয়াকি টকি আমদানি, রাষ্ট্রদ্রোহ এবং দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগে মামলা করে ক্ষমতা দখল করে সামরিক সরকার। জানা গেছে, অভিযোগগুলোতে দোষী সাব্যস্ত হলে কয়েক দশকের জেল হতে সু চির।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, ২০২০ সালের নির্বাচন মূলত অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে।
এদিকে জান্তা এনএলডি বিলুপ্ত করার হুমকি দিয়েছে এবং গত মাসে সু চি’র ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং উচ্চ পদস্থ নেতা উইন টেনকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।
পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স (এএপিপি)-র তথ্য অনুযায়ী, সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর থেকে জান্তা সরকারের হাতে দেশটিতে ১ হাজার ২৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।