যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, আজ শুক্রবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার সেন্টার ফর এপিডেমিক রেসপন্স অ্যান্ড ইনোভেশন-এর পরিচালক তুলিও ডি অলিভেরা জানান, সার্স-কোভ-২ এর ভেরিয়েন্ট বি.১.১.৫২৯ নিয়ে ‘ডব্লিউএইচও’ প্রতিনিধির কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা। এরপরই সংস্থাটি জরুরি বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডব্লিউএইচও’র বিশেষজ্ঞরা নতুন ভেরিয়েন্টটিকে ‘উদ্বেগ’ বা ‘আগ্রহ’ হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত কি-না তা নিয়ে আলোচনা করবেন।
.png)
এক সংবাদ সম্মেলনে অলিভেরা বলেন, নতুন ধরনের বেশি সংখ্যক মিউটেশন রয়েছে, যা রোগের দ্রুত বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি করে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকায় মোট ৭৭ জনের দেহে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বতসোয়ানায় ৪ জন এবং হংকংয়ের একজনের শরীরে তা ধরা পড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন যে ভেরিয়েন্টই শনাক্ত হচ্ছে সেটারই সংক্রমণ ক্ষমতা ডেলটা ভেরিয়েন্টের চেয়ে বেশি। ফলে করোনার মহামারি ইতি টানার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে এসব ভেরিয়েন্ট। এ প্রসঙ্গে ডি অলিভেরিয়া বলেন, সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন হলো, এই ভেরিয়েন্টের বিরুদ্ধে টিকা কাজ করে কি না।
এদিকে নতুন ভেরিয়েন্ট নিয়ে ডব্লিউএইচওর মুখ্য বৈজ্ঞানিক সৌম্য স্বামীনাথান বলেন, এই ভেরিয়েন্টের একাধিকবার মিউটেশন হয়েছে, যা বিপজ্জনক।