তিনি আরো বলেন, অভিবাসী নারী ও শিশু-কিশোরীরা লৈঙ্গিক পরিচয়ের কারণে সহিংসতার ব্যাপক ঝুঁকিতে আছে এবং সহায়তা চাওয়ার সুযোগ তাদের জন্য আজও অনেক কম। সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক অভিবাসী আয়-রোজগারহীন বা আশ্রয়হীন অবস্থায় আটকা পড়েছে। দেশে ফেরার সুযোগ বন্ধ হওয়ায় পরিবার বিচ্ছিন্ন অবস্থায় তারা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়েছে। যদিও মহামারির পুরোটা সময়জুড়েই অভিবাসীরা সর্বত্র সমাজকে সমৃদ্ধ করেছে এবং বিজ্ঞানী, স্বাস্থ্যসেবাদাতা ও জরুরি পরিষেবা কর্মী হিসেবে প্রায় ক্ষেত্রেই অভিবাসীরা রয়েছেন সম্মুখ সমরে।
জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরাম আগামী বছর গ্লোবাল কম্প্যাক্ট ফর সেফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। অভিবাসীদের পূর্ণাঙ্গভাবে অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে এটি একটি সুযোগ যেহেতু আমরা পুনরুদ্ধারমূলক, ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই সমাজ গড়তে চাই। গ্লোবাল কম্প্যাক্ট ফর সেফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন জোরদারে জাতিসংঘ অভিবাসন নেটওয়ার্কের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই এবং সদস্য রাষ্ট্র ও অন্যদের এ প্রচেষ্টায় সংশ্লিষ্ট হতে উৎসাহিত করছি। অভিবাসীদের সঙ্গে সংহতি এখনকার মতো আর কখনোই এতটা জরুরি ছিল না।
.png)