মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানায়, সাইপ্রাস বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং বায়োটেকনোলজি ও মলিকুলার ভাইরোলজি ল্যাবরেটরির প্রধান লিওনডিওস কোস্ট্রিকিস এবং তার দল এই ভ্যারিয়েন্টটি আবিষ্কার করেছে। এই স্ট্রেইনটিতে ডেল্টা জিনোমের মধ্যে ওমিক্রনের মতো জেনেটিক সিগনেচার রয়েছে।
লিওনডিওস বলেন, এখন ওমিক্রন ও ডেল্টার সহসংক্রমণ (কো-ইনফেকশন) চলছে। তারা করোনার এমন একটি নতুন ধরন শনাক্ত করেছেন, যেটি ওমিক্রন ও ডেল্টার সংমিশ্রণ।
.png)
আরো পড়ুন>> ‘উসকানিমূলক’ গানের কারণে বিয়ের আসরেই স্ত্রীকে তালাক দিলেন বর!
ডেল্টাক্রনে সংক্রমিত হয়েছেন, এমন ২৫ জন রোগী শনাক্ত করেছেন লিওনডিওস ও তার দল। তাদের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি, এমন রোগীদের তুলনায় যারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তাদের মধ্যে ডেল্টাক্রনে সংক্রমিত হওয়ার হার বেশি।
ডেল্টাক্রনে সংক্রমিত ২৫ রোগীর নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সের তথ্য ৭ জানুয়ারি জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটাতে (জিআইএসএআইডি) পাঠিয়েছে লিওনডিওসের দল। জিআইএসএআইডি করোনার জিনোমের উন্মুক্ত বৈশ্বিক তথ্যভান্ডার।
অধ্যাপক লিওনডিওস বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতে দেখব যে এই ধরনটি আরও ভয়ংকর বা আরও সংক্রামক কি না। আমরা দেখব যে এটি ডেল্টা ও ওমিক্রনকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে কি না।’
আরো পড়ুন>> ফেসবুক লাইভে এসে এক পরিবারের ৩ জনের আত্মহত্যা!
করোনার অতি সংক্রামক ডেল্টা ধরন প্রথম শনাক্ত হয় ভারতে। এ ধরনটিকে শুরুতে করোনার ‘ভারতীয় ধরন’ বলা হচ্ছিল। পরে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ধরনটির নতুন নাম দেয় ‘ডেল্টা’। ধরনটির বৈজ্ঞানিক নাম (বি.১.৬১৭)। গত বছরের মে মাসে করোনার ডেল্টা ধরনকে ‘উদ্বেগজনক’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ডব্লিউএইচও। ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য ডেল্টা ধরনকে দায়ী করা হয়।
অন্যদিকে, করোনার অতি সংক্রামক ওমিক্রন ধরন প্রথম শনাক্ত হয় আফ্রিকায়। নতুন এই ধরনটির বৈজ্ঞানিক নাম ‘বি.১.১.৫২৯’। এই ধরনটিকেও ‘উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছে ডব্লিউএইচও। সারা বিশ্বে অতি দ্রুত ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ছে। করোনার আর কোনো ধরনকে এত দ্রুত বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়নি।