সমাধানের কোনো পথ না পেলেও অন্তত একটি বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। তা হলো- এগুতে হবে একসঙ্গে। আবার সমাধানের আশা এখনও ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে শিগগিরই আবার বৈঠকে বসবে দুই দেশ।
বুধবার যে বৈঠক হয়েছে সেখানে ভারতের পক্ষ থেকে দাবি ছিল- চীন গোগরা-হট স্প্রিং এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেবে। তবে এতে রাজি হয়নি চীন। আবার দৌলত বেগ ওল্ডি সেক্টরে দেপসাং বালজ, ডেমচক সেক্টরে চার্ডিং নুল্লাহ জাংশন থেকে সেনা প্রত্যাহারে রাজি করানো যায়নি চীনকে। অর্থাৎ সেনা মোতায়েন নিয়ে অবস্থান পরিবর্তন হচ্ছে না দুই দেশের।
.png)
কূটনৈতিক ভাষায় এর অর্থ দাঁড়ায় বৈঠক থেকে ইতিবাচক কোনো ফল আসেনি। আলোচনা এগিয়ে স্রেফ এ পর্যন্ত একমত হয়েছে দুই দেশ যে, সমাধানে পৌঁছানোর জন্য কাজ চালিয়ে যাবে দুই পক্ষই।
আরো পড়ুন: ‘পুতিনের ওপর নিষেধাজ্ঞা মানেই সম্পর্কচ্ছেদ’
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মে মাস থেকে মূলত নতুন করে সীমান্তে উত্তেজনা ও সংঘাতের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তখন থেকেই একে অপরের দিতে চোখ রাঙাচ্ছে দুই দেশের সেনারা।
ওই সময় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর বৈঠকে বসেছিল দু’দেশের সেনা কর্মকর্তারা। তখনও সীমান্তের বিতর্কিত এলাকা থেকে সেনা সরানোর বিষয়ে ইতিবাচক কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি দুই দেশ।
বছর পাঁচেক আগে সিকিম ও ভুটানের সীমানাঘেঁষা ডোকলামে ভারত ও চীনের সৈন্যরা মুখোমুখি ছিল বাহাত্তর দিন।