প্রকৃতপক্ষে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কারণে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও সেবাখাত ধুঁকছে। বহু বিমান সংস্থা কর্মী ছাঁটাই করেছে। কোনো কোনো বিমান সংস্থা বন্ধ হওয়ার মুখে। শুধু তাই নয়, বিমান চলাচল বন্ধ থাকার জন্য বহু দেশ আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখিও হচ্ছে। এই অবস্থায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আরো পড়ুন: আমেরিকার ফেডারেল কোর্টের বিচারক হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নুসরাত
.png)
বুধবার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছে ডব্লিউএইচও। সংস্থাটির বক্তব্য, ভ্রমণের ক্ষেত্রে দুইটি ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট দেখানো বাধ্যতামূলক করা উচিত নয়। কারণ, পৃথিবীর সর্বত্র সমানভাবে ভ্যাকসিন দেওয়া যায়নি। বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলোতে ভ্যাকসিন ঠিক সময়ে পৌঁছায়নি। এই পরিস্থিতিতে সকলের কাছে দুইটি ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট চাওয়া অন্যায়। বরং বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
আরো পড়ুন: একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিলেন সৌদি নারী
ডব্লিউএইচওর পরামর্শ, দুইটি ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট না থাকলে সেই ব্যক্তিকে আইসোলেশনে পাঠানো হোক। নেগেটিভ রিপোর্ট দেখতে চাওয়া হোক। ১৪ দিন আইসোলেশনের খরচ তার কাছ থেকে নেয়া হোক। তবে তাকে কোনো দেশে ঢুকতেই দেওয়া হবে না, এ নিয়ম ঠিক নয়।
সামগ্রিকভাবে সারা বিশ্বে করোনার সংক্রমণ গত এক সপ্তাহে ২০ শতাংশ বেড়েছে বলে বুধবার ডব্লিউএইচও জানিয়েছে। তবে মৃত্যুর হার একই আছে। সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও বেশি। সবচেয়ে আশ্চর্যের, গত এক সপ্তাহে আফ্রিকায় করোনা সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
সূত্র : ডয়চে ভেলে