রাশিয়ার সীমান্ত থেকে ৪২ কিমি দূরে অবস্থিত কারকিভ ইউক্রেনের দ্বিতীয় বড় শহর৷ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কাই এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সীমান্তে উত্তেজনা বাড়লে কারকিভ দখলে অগ্রসর হতে পারে রাশিয়ার সেনা। যদিও মস্কো জানিয়েছে, ইউক্রেনে হামলার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। তবে এতে ইউক্রেন বা পুরো বিশ্ব কেউ আশ্বস্ত হতে পারছে না।
আরো পড়ুন: ক্যামেরায় ধরা পড়ল ভূত!
.png)
শনিবার কারকিভ শহরের মানুষ রাস্তায় নেমে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। জাতীয় পতাকা হাতে, জাতীয় সঙ্গীত গাইতে গাইতে প্রতিবাদীদের মিছিল এগিয়ে চলে।অ মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন নীনা ভিটকো। সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, কারকিভ ইউক্রেনের শহর। আমরা মাথা নত করব না। এটা বোঝাতে সবাই পথে নেমেছে৷
ইউক্রেনের জাতীয় পতাকা গায়ে আরেক প্রতিবাদী বলেন, রাশিয়াকে আমরা চাই না। ক্রিমেয়াতে আমার জন্ম৷ আমার জন্মস্থান কেড়ে নিয়েছে। তারপর এখানে বড় হয়েছি, এখানেই থাকি। এটাই আমার বাড়ি-ঘর। ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে তারা।