শনিবার হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলনের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পরিষদের প্রধান মাহদি আল-মাশাত এই একতরফা যুদ্ধবিরতির কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিন দিনের জন্য ইয়েমেনের সেনারা সমস্ত ধরনের ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধ রাখবে।
মাহদি আল-মাশাতের বরাত দিয়ে ইয়েমেনের আরবি ভাষার টেলিভিশন চ্যানেল আল-মাসিরা জানিয়েছে, ইয়েমেনের জল, স্থল এবং আকাশপথ সব জায়গায় এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।
.png)
আরো পড়ুন: ইউক্রেনে সাড়ে ৪ হাজার আবাসিক ভবন ধ্বংস
সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পরিষদের প্রধান আরো বলেন, সৌদি আরব যদি ইয়েমেনের ওপর হামলা বন্ধ করে, ইয়েমেনের ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার এবং সমস্ত বিদেশী ভাড়াটে সেনা ও গেরিলা সরিয়ে নেয় এবং স্থানীয় গেরিলাদের সমর্থন দেয়া বন্ধ করে তাহলে আনসারুল্লাহ আন্দোলনও স্থায়ীভাবে যুদ্ধবিরোতি পালনের প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি বলেন, হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলনের যে সমস্ত যুদ্ধবন্দী রয়েছে তাদেরকে যদি মুক্তি দেয় তাহলে সৌদি আরবের সমস্ত বন্দি এমনকি ইয়েমেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদির ভাইকেও মুক্তি দেয়া হবে।
২০১৫ সালের ২৬ মার্চ থেকে সৌদি আরব ইয়েমেনের ওপর সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে আসছে। প্রথমদিকে হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলনের যোদ্ধারা কিছুটা বেকায়দায় থাকলেও ধীরে ধীরে তারা শক্তি অর্জন করেছে এবং এখন সৌদি আরব ও তার মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় মাঝেমধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।