দেশটির কর্মকর্তারা বলছেন, ইকুয়েডরের কারাগারে বর্তমানে ধারণক্ষমতার চেয়ে ৯ হাজার বেশি বন্দী থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব কারাগারে মাদক চোরাচালানের মামলায় গ্রেফতার ব্যক্তিদের রাখা হয়। দেশটির কারাগারে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর মধ্যে সংঘর্ষে প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।
আরো পড়ুন: শ্রীলংকার মন্ত্রিসভার সদস্যদের পদত্যাগ
.png)
এর আগে গত বছরেরর সেপ্টেম্বর মাসে দেশটির কারাগারে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর মধ্যে সংঘর্ষে শতাধিক বন্দী মারা গিয়েছিল। সব মিলিয়ে গতবছর কারাগারে সংঘর্ষে ৩২০ জন বন্দী নিহত হয়েছেন।