সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট উরসোলা ভন ডার লিয়েন ভারত সফরের সময় ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ করার ব্যাপারে ইউরোপীয় জোটের নীতিকে সমর্থন করে বক্তব্য রেখেছেন। তবে গত সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্টের বহু সংখ্যক সদস্য ইউক্রেনে প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সাধারণ লোকজন পশ্চিমা অস্ত্রের ঢল নামানোর বিরোধিতা করছেন।
আরো পড়ুন: দেশে ফিরতে নওয়াজ শরিফকে নতুন পাসপোর্ট দিল পাকিস্তান
.png)
ইউক্রেন সংকটকে কেন্দ্র করে এবং তারও কিছু আগে থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে দারিদ্রতা বাড়ছে। এ অবস্থায় যুদ্ধবিরোধীরা দাবি তুলেছেন, ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের পেছনে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ না করে বরং সেই অর্থ জনগণের জীবনমানের উন্নয়নে ব্যয় করা দরকার।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সুশীল সমাজ এবং বহু আইন প্রণেতা বলছেন, ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের পরিবর্তে শান্তি আলোচনাকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত। এর বাইরে চলমান সংঘাত অবসানের কোনো বিকল্প নেই বলে তারা মতামত দিচ্ছেন।