আর এবার লুহানস্ক তথা ডনবাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লিসিচানস্কের দখল নেয়ার দাবি করছে রাশিয়া। এছাড়া রাশিয়ার হাতে শহরটির পতন হয়ে থাকতে পারে বলে স্বীকারও করেছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের একজন উপদেষ্টা। রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
অন্যদিকে সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, রুশ বাহিনী পূর্বাঞ্চলীয় শহর লিসিচানস্ক দখলের কথা জানালেও ইউক্রেনীয় বাহিনীর দাবি, এই শহরটির নিয়ন্ত্রণ তারা এখনো ধরে রেখেছে। ইউক্রেন জানায়, তাদের বাহিনী সেখানে তীব্র রুশ গোলাবর্ষণের মধ্যে আছে। তবে বেশ জোর দিয়েই দেশটি বলছে, লিসিচানস্ক শহরটি দখল করা হয়নি।
.png)
রাশিয়ান সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বলছেন, তারা সফলভাবে শহরে প্রবেশ করেছে এবং এমনকি ইতোমধ্যেই শহরের কেন্দ্রে পৌঁছেছে। রাশিয়ান সংবাদমাধ্যম লিসিচানস্ক শহরের রাস্তার মধ্য দিয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী বা রাশিয়ান বাহিনীর কুচকাওয়াজের ভিডিও প্রকাশ করেছে।
আরো পড়ুন: রাশিয়ার সীমান্ত শহরে বিস্ফোরণ, নিহত ৩
এছাড়া রাশিয়ার বিভিন্ন সূত্র শহরের ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কেন্দ্রে সোভিয়েত পতাকা রাখার একটি ভিডিও টুইট করেছে। তবে তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি।
লিসিচানস্ক শহরটি ছিল লুহানস্ক অঞ্চলের ইউক্রেনীয়-নিয়ন্ত্রিত শেষ শহর। এই শহরটি মূলত ডনবাসের শিল্পাঞ্চলীয় এলাকার অংশ। এর আগে রাশিয়া গত মাসে নিকটবর্তী শহর সেভেরোদোনেতস্ক দখল করে।
লুহানস্ক অঞ্চলের গভর্নর সেরহি হাইদা বলেছেন, রুশ বাহিনী চারদিক থেকে অবরুদ্ধ শহরটির দিকে এগিয়ে আসার কারণে লিসিচানস্কে হামলায় আর কোনো বাধা দেওয়া হয়নি।