গ্যাজপ্রম বলছে, ঐতিহাসিক চুক্তির চেয়ে প্রতিদিন প্রায় তিনগুণ বেশি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
অপরদিকে, কমনওয়েলথ অব ইনডিপেন্ডেন্ট স্টেটসের বাইরের দেশগুলোতে গ্যাস সরবরাহ শতকরা ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ কমানো হয়েছে। তবে ক্রেতা দেশগুলোর অনুরোধ অনুসারেই গ্যাসের সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে গ্যাজপ্রম।
.png)
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে বৈশ্বিক চাহিদা অনুসারে প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কম রফতানি হয়েছে। ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার সংঘাত, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা এবং রাশিয়ার পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কারণে গ্যাসের এ রফতানি ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি লাটভিয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছে রাশিয়া। গ্যাস উত্তোলনের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে তারা প্রতিবেশী দেশটিতে সরবরাহ বন্ধ রেখেছে বলে জানায় গ্যাজপ্রম।
লাটভিয়ার জ্বালানি সংস্থা লাটভিজাস গেজ জানিয়েছিল , তারা রাশিয়া থেকে গ্যাস কিনছে এবং গ্যাজপ্রমের সঙ্গে তাদের এ বাণিজ্যে রুবলের পরিবর্তে ইউরোতে অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। এমন ঘোষণার একদিন পরই গ্যাজপ্রম গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার কথা জানায়।
এর আগে, গ্যাজপ্রম জানায়, তাদের প্রধান পাইপলাইনে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে গ্যাস সরবরাহ আরো কমিয়ে দেওয়া হবে। নর্ড স্ট্রিম ১ নামে পরিচিত রাশিয়া থেকে জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহের প্রধান পাইপলাইনে এ রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে উৎপাদন ২০ শতাংশ হ্রাস পাবে। যার ফলে বর্তমানের চেয়ে গ্যাস সরবরাহ অর্ধেক কমে যাবে।
রাশিয়া সরবরাহ আরো কমিয়ে দিলে আসছে শীতের আগে ইউরোপের দেশগুলোর পর্যাপ্ত গ্যাস মজুদ করা কঠিন হয়ে পড়বে। শীতে ইউরোপের দেশে গ্যাসের ব্যাবহার অনেক বেশি থাকে।