বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। এছাড়া নদীর পানি স্বল্পতার জন্য পারমানবিক সুবিধাও সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে আসন্ন শীতের সময় নেতিবাচক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
.png)
পারমাণবিক ও সৌর উত্স সূত্র বলছে, যুক্তরাজ্যে উচ্চ তাপমাত্রার জন্য জীবাশ্ম থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত করছে। কারণ উচ্চ তাপমাত্রার মধ্যে পাওয়ার প্ল্যান্ট ও সোলার প্যানেলের প্রযুক্তি কম কাজ করে থাকে। ইউক্রেনে রাশিয়া হামলা চালানোর পর ইউরোপের দেশগুলো জ্বালানির অন্যান্য উৎস খোঁজা ও দীর্ঘ খরার কারণে জ্বালানি নিয়ে চাপে পড়তে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপের শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস্য হচ্ছে হাইড্রোপাওয়ার। কিন্তু মহাদেশটির সব দেশের নদীর পানি আশঙ্কাজনকহারে শুকিয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। ইউরোপের যেসব দেশ রয়েছে তাদের মধ্যে ইতালি পাঁচ ভাগের এক ভাগ হাইড্রো সিস্টেম থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে থাকে। কিন্তু গত ১২ মাসে দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪০ শতাংশ কমে গেছে।
একই অবস্থা ইউরোপের আরেক দেশ স্পেনের। জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেসটাড এনার্জি বলছে, দেশটিতে ৪৪ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির একজন বিশ্লেষক ফাবিন রনিনগেন বলেন, হাইড্রোপাওয়ার দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমতে পারে। কিন্তু ৪০ শতাংশের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন কমা বিপজ্জনক।
তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, এটি ইউরোপের নির্দিষ্ট এলাকার পরিসংখ্যান শুধু নয়। এটি হাইড্রোপাওয়ার থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা অনেক দেশের একই অবস্থা।
ফাবিন রনিনগেন এই অবস্থাকে বড় ধরনের বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
নরওয়েও হাইড্রোপাওয়ার থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে। তারা জানিয়েছে, যদি তাদের জলাধার পূর্ণ না হয় তবে যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোতে তারা বিদ্যুৎ রফতানি করতে পারবে না।