সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি জানান, রাশিয়ানরা ‘কামিকাজে ড্রোনে’র হামলা সফলতা পাবে বলে মনে করছে। আসলে তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরাশিয়া গত সপ্তাহ থেকে কৌশলগত বোমা, ক্রুজ মিসাইল এবং ইরানের তৈরি ‘কামিকাজে ড্রোন’ ব্যবহার করছে।
.png)
এ হামলা মূলত ক্রিমিয়া সেতুতে বিস্ফোরণের ঘটনার প্রতিশোধ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পর সেখানে সরাসরি যাতায়াতের জন্য ২০১৮ সালে সেতুটি উদ্বোধন করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।