ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ফ্রান্সে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:২৪, ২৩ নভেম্বর ২০২২
ফ্রান্সে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা
ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের দক্ষিণের শহর টনিসে ১৪ বছরের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্যারিসে ১২ বছরের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার এক মাসের ভেতরে আবার স্কুলছাত্রীর সঙ্গে একই ঘটনায় বিস্মিত ফ্রান্সের নাগরিকরা।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ধর্ষণের শিকার ও নিহত ১৪ বছরের স্কুলছাত্রীর নাম ভেনেসা। টনিস শহরের স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে একটি গাড়িতে জোরপূর্বক তুলে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ঐদিন তাকে হত্যার পর তার লাশ একটি পরিত্যক্ত বাড়ির পাশে ফেলে রাখে দুস্কৃতিকারী। পরে নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজের সহায়তায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়।

দক্ষিণ ফ্রান্সের আগেনের আইনজীবী সাংবাদিকদের জানান, যখন মারমানডে শহরের দক্ষিণে থাকা অভিযুক্ত ব্যক্তির ফ্ল্যাটে পুলিশ যায় তখন অভিযুক্ত বলেন,‘ আমি জানি আপনারা কেন এসেছেন’। এ সময় অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করেন।

Advertisement

কর্তৃপক্ষ বলছে, ২০০৬ সালে এ ব্যক্তির বয়স ছিল ১৫ বছর। ঐ সময় তিনি অন্য ক্ষুদ্রগোষ্ঠীর একজনের ওপর যৌন আগ্রাসন চালানোর অপরাধে ১৫ দিন জেল খাটেন।

ভেনেসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ১২ বছরের লুলা নামের অপর এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে ঘটেছিল। লুলার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ তার বাড়ির পাশে ফেলে রাখা স্যুটকেটে পাওয়া গিয়েছিল। এ ঘটনা ফ্রান্সজুড়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছিল।

লুলুাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ২৪ বছরের এক নারীকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে লুলাকে হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। 

লুলার হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক অস্থিরতার একটি সূত্র করেছে। এ ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধী শিবির সরকার দলকে অবৈধ অভিবাসীর বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের বিষয়ে তাগিদ দেবে।

ভেনেসা ও লুলার ঘটনার ইস্যুতে সড়কে ব্যক্তি স্বাধীনতার ঝুঁকিমুক্ত রক্ষার ব্যর্থতায় বিচার ও রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষে সমালোচনা করেছে ডানপন্থি বিরোধীরা।

টনিসের মেয়র ডেনটি রিনাউডো বলেন, ভেনেসার বাবা-মা কলোম্বিয়ার বংশোদ্ভূত। তারা মেয়েকে স্পেনের গ্রেনেডায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া করতে চান। কারণ, তারা সেখানে দীর্ঘদিন বসবাস করেছিলেন।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারকে সহায়তা করার জন্য অনলাইনে অর্থ তোলা হচ্ছে এবং আগামী শুক্রবার ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে একটি মিছিল হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকেএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!