সংস্থাটির প্রধান সুহারাইয়ান্তের বরাতে এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিম জাভার সিয়ানজুর শহরে ভূমিকম্পনের কারণে ভবন ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখনো ২৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি প্রতিবেদনে বলা হয়, ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে গত সোমবারের ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭১ জনে দাঁড়ায়। ঐ ভূমিকম্পে আহত হন দুই হাজারের বেশি মানুষ।
.png)
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিছিল, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬। এটির কেন্দ্রস্থল ছিল পশ্চিম জাভা প্রদেশের সিয়ানজুর অঞ্চলের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। কেন্দ্রস্থল পশ্চিম জাভার সিয়ানজুর অঞ্চলে হলেও বৃহত্তর জাকার্তা অঞ্চলেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছিল ইউএসজিএস।
কম্পনের ফলে যে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে তাতে কোথাও কোথাও পুরো গ্রাম মাটি চাপা পড়েছে। কমপক্ষে ২২ হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাড়িঘর হারিয়ে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়া প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত প্রত্যক্ষ করে। ২০০৪ সালে সুমাত্রা উপকূলে ৯ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প ও এরপরের সুনামিতে এ অঞ্চলজুড়ে দুই লাখ ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এরমধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় মারা যায় এক লাখ ৭০ হাজার মানুষ।