বিবিসির প্রধান আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক লিজ ডুসেটের সঙ্গে আলাপকালে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ইউক্রেনের ফার্স্ট লেডি।
ওলেনা জেলেনস্কা বলেন, তার দেশ বিশ্ব দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়ের এ যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। কারণ ‘বিজয় ছাড়া শান্তি আসতে পারে না।
.png)
হিমশীতল শৈত্য ও অন্ধকারে বিপর্যস্ত রাজধানী শহর কিয়েভে ওলেনা জেলেনস্কার সাক্ষাৎ নেন লিজ ডুসেট। বেশ কিছু ভবনের এক জটিল গোলকধাঁধার মতো জায়গায় তারা অবস্থান করছিলেন। নিরাপত্তার কারণে যা ছিল বালির বস্তায় সুরক্ষিত।
ওলেনা জেলেনস্কা বিবিসির প্রতিনিধিকে জোর দিয়ে বলেন, আমরা এটি সহ্য করার জন্য প্রস্তুত। আমাদের অনেক ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। অনেককে যুদ্ধের শিকার হতে দেখেছি। এত ধ্বংস দেখেছি যে বিদ্যুৎহীনতা আমাদের কাছে সবচেয়ে খারাপ জিনিস নয়।
ইউক্রেনের ফার্স্ট লেডি সাম্প্রতিক একটি জরিপের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, তাতে ৯০% ইউক্রেনীয় বলেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা দেখলে তারা দুই থেকে তিন বছর পর্যন্ত বিদ্যুতের ঘাটতি নিয়ে থাকতে প্রস্তুত।
আলাপচারিতায় ওলেনা স্বীকার করেন, কঠিন শীতের মধ্যে পথটি ভয়ঙ্কর দীর্ঘ। ম্যারাথন দৌড়ানো এক হিসাবে সহজ, যখন আপনি জানেন কত কিলোমিটার বাকি আছে। তবে এ যুদ্ধের ক্ষেত্রে ইউক্রেনীয়রা জানে না তাদের কতটা দৌড়াতে হবে। কখনো কখনো এটা খুব কঠিন হতে পারে। কিন্তু কিছু নতুন আবেগের জন্ম হয়েছে, যা আমাদের মনোবল ধরে রাখতে সাহায্য করে।
যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের সব নাগরিক শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেন ইউক্রেনের ফার্স্ট লেডি।