সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুর মাদুরাইতে।
পরমেশ্বমরম নামে এক ব্যক্তি ৬ বছর ধরে গরুটি পালন করছিলেন। কিছু দিন আগে গরুটিকে হাসপাতালে নেয়া হয় চিকিৎসার জন্য।
.png)
তিনি চিকিৎসককে জানান, সদ্যই মা হয়েছে গরুটি। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরেই এটি কোনো রকম খাবার বা পানি খাচ্ছে না। চিকিৎসকরা তখন গরুর বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করেন। তখনই পাকস্থলীতে অদ্ভুত কিছু জিনিস নজরে আসে চিকিৎসকদের। তার পরই তারা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।
অস্ত্রোপচার করে ওই গরুর পেট থেকে ৬৫ কেজি প্লাস্টিক ও ধাতব বর্জ্য উদ্ধার করেন চিকিৎসকরা। কীভাবে এতো প্লাস্টিক এবং ধাতব বর্জ্য পাকস্থলিতে জমে থাকার পর গরুটি বেঁচে ছিল তা ভেবেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা।
আরো পড়ুন>> নেতানিয়াহুকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র
সংবাদমাধ্যমকে চিকিৎসকরা জানান, পেটের ভেতর বর্জ্যগুলো দলা পাকানো অবস্থায় ছিল। একটা বড় মণ্ড তৈরি হয়েছিল পাকস্থলীর ভেতর। আর সেগুলোর বিষক্রিয়ায় গরুর শারীরিক অবস্থা ক্রমেই খারাপ হচ্ছিল। আর কিছু দিন এই অবস্থায় থাকলে মৃত্যুও হতে পারত গরুটির।
চিকিৎসকরা আরো জানান, পুরো অস্ত্রোপচারটি করতে তিন ঘণ্টা সময় লেগেছে। এরপর আরো ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয় গরুটিকে। তারপর থেকে প্রাণিটি আবার ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করছে বলে জানিয়েছেন তারা।
এ ঘটনায় পশুর মালিকদের অনুরোধ করেছেন পশুগুলোকে নিশ্চিন্তে রাস্তায় ছেড়ে না দিয়ে তাদের ওপর নজর রাখতে। নয়ত, এই ধরনের ঘটনা আরো ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।
সূত্র: নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস