ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দিলেন জর্ডানের বাদশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯:১০, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দিলেন জর্ডানের বাদশা
দ্বিতীয় আবদুল্লাহ - ফাইল ছবি

জেরুজালেমের পবিত্র স্থাপনাগুলোর ‘রেড লাইন’ লংঘন করলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর হুমকি দিয়েছেন জর্ডানের বাদশা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ।

বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পবিত্র স্থাপনাগুলো ইস্যুতে যে ‘স্ট্যাটাস’ রক্ষা করা হয়, যদি তা পরিবর্তন করে ‘রেড লাইন’ লংঘন করে ইসরায়েলের আসন্ন সরকার, তাহলে সংঘাতে জড়াতে প্রস্তুত তিনি।

বাদশা আবদুল্লাহ বলেন, যদি লোকজন আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চায়, তাহলে আমরা প্রস্তুত আছি। সব সময় আমি বিশ্বাস করি যে, আমাদেরকে দেখতে হবে গ্লাসটি অর্ধেক পূর্ণ। তা সত্ত্বেও আমাদের নির্দিষ্ট রেড লাইন বা চূড়ান্ত সীমারেখা আছে। যদি কেউ সেই রেড লাইনগুলো অতিক্রম করার চেষ্টা করে, তাহলে আমরা সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেবো।

Advertisement

১৯৬৭ সাল থেকে আল-আকসা মসজিদ সহ ইসরায়েলের রাজধানী ওল্ড সিটিতে পবিত্র স্থাপনাগুলোর রক্ষক জর্ডান। এই আল আকসা মসজিদ অবস্থিত টেম্পল মাউন্টে। এই টেম্পল মাউন্ট ইহুদিদের কাছে আবার সবচেয়ে পবিত্র স্থান।

আরো পড়ুন>> চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে লাগবে কোভিড নেগেটিভ সনদ

আল-আকসা মসজিদে মুসলিমরা বিনা বাধায় প্রবেশ করতে, পরির্দশন করতে এবং নামাজ আদায় করতে পারেন। কিস্তু সেখানে ইহুদিদের প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ আছে। তবে সম্প্রতি এই কঠোরতা কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।

জর্ডানের বাদশা আবদুল্লাহ আরও সতর্ক করেছেন যে, আরেকটি যুদ্ধ শুরু করতে পারে ফিলিস্তিনিরা। তিনি বলেন, আমাদেরকে পরবর্তী ইন্টিফাদা নিয়ে সতর্ক হতে হবে। যদি সেটা হয়, তাহলে আইনশৃংখলা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে। তাতে ইসরায়েল বা ফিলিস্তিন কেউই সুবিধা পাবে না। তাই এ অঞ্চলের আমাদের সবারই তা নিয়ে প্রচ- উদ্বেগ আছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের এই উদ্বেগ বেশি থাকা উচিত। তাই তাদের এটা নিশ্চিত করতে হবে যে, এমনটা যাতে না ঘটে।

ওদিকে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদিনেহ বুধবার বলেছেন, ইসরায়েলে নতুন সরকারের নীতি ভয়াবহ উস্কানিমূলক। তিনি সতর্ক করে বলেন, যতক্ষণ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র সৃষ্টি না হবে ততদিন এই সহিংসতা চলতেই থাকবে। তিনি এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান কথা রাখতে। কারণ, তারা দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!