এক প্রতিবেদনে বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী স্পেস ডটকম জানায়, সম্প্রতি আবিষ্কৃত হওয়া এই ধূমকেতুটির নাম রাখা হয়েছে ‘সি/২০২২ ই৩ (জেডটিএফ)। এক কিলোমিটার ব্যাসের এই ধূমকেতু অন্ধকার রাতের আকাশে খালি চোখে দৃশ্যমান হতে পারে।
২০২২ সালের মার্চ মাসে ওয়াইড ফিল্ড সার্ভে ক্যামেরা ব্যবহার করে প্রথম দেখা গিয়েছিল ধূমকেতুটি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে ধূমকেতুটি এবার পৃথিবীর কাছে আসছে। এটি আবিষ্কারের পর থেকে যথেষ্ট উজ্জ্বল হয়েছে। তবে টেলিস্কোপ ছাড়া দেখতে এখনো খুব ম্লান।
.png)
ধূমকেতুটি ১২ জানুয়ারি সূর্যের সবথেকে কাছে আসবে। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীর কাছাকাছি আসতে পারে। যদিও ধূমকেতুর উজ্জ্বলতা অস্পষ্ট।
নাসা বলছে, যতদিন যাবে তা স্পষ্ট হবে এবং তা খালি চোখে দৃশ্যমান হতে পারে অন্ধকার রাতের আকাশে। শহরের আলো বা চাঁদের আলো থাকলে তা স্পষ্ট হবে না।
প্যারিসের জ্যোতির্বিজ্ঞানী নিকোলাস বিভার বলেন, “ধূমকেতুটি ধূলিকণা ও বরফ দিয়ে তৈরি এবং এটি থেকে সবুজ আভা বিকিরন হচ্ছে। জানুয়ারির ২১-২২ তারিখে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য এটি পর্যবেক্ষণের ভালো একটি সুযোগ হবে। তবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সবার সামনে আরেকবার ধূমকেতুটি খালি চোখে দেখার সুযোগ থাকবে। তখন সেটি মঙ্গল গ্রহের কাছাকাছি যাবে।”
তিনি বলেন, “আমরা একটি চমৎকার বিস্ময়ের সাক্ষী হতে যাচ্ছি। ধূমকেতুটি প্রত্যাশার চেয়েও দ্বিগুণ উজ্জ্বল হতে পারে।”
বিভার আরো বলেন, “ধারণা করা হচ্ছে ধূমকেতুটি উর্ট ক্লাউড থেকে এসেছে। উর্ট ক্লাউড হলো সৌরজগতের চারপাশে একটি তাত্ত্বিক বিশাল গোলক যেটিকে রহস্যময় বরফের বস্তুর আবাসস্থল বলা হয়।”
সূত্র: আল-জাজিরা