বুধবার (১৮ জানুয়ারি) জেলেনস্কির স্ত্রী ওলেনা জেলেনস্কা বলেন, সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে চিঠিটি চীনের প্রতিনিধি দলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশ ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ চালাচ্ছে রাশিয়া। এরই মধ্যে প্রায় ১১ মাস হতে চলল এই যুদ্ধ। তবে হামলা-পাল্টা হামলার জেরে ইউক্রেনের অনেক ফ্রন্টই এখনও উত্তপ্ত।
.png)
এদিকে রুশ অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে জেলেনস্কি বারবারই শি জিনপিংয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন। তার আশা, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর বেইজিং প্রভাব খাটাতে পারবে।
জেলেনস্কা সাংবাদিকদের বলেন, “এটি একটি ইঙ্গিত এবং সংলাপের আমন্ত্রণ। আমি খুব আশাবাদী যে, এই আমন্ত্রণে সাড়া পাব।”
আরো পড়ুন>> তিব্বতে তুষার ধসে ৮ জনের মৃত্যু
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে দেখা করার জন্য বেইজিং সফর করেছিলেন। তবে ঠিক সেই সময়ই রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর ট্যাংকগুলো ইউক্রেনের সীমান্তে জড়ো হচ্ছিল। উভয় নেতা সেসময় তাদের অংশীদারিত্বে ‘কোনও সীমা’ না রাখার ব্যাপারে সম্মত হন। আর তার কিছুদিন পরই ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া।
অবশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের শুরু থেকেই বেইজিং নিজেকে নিরপেক্ষ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে, একই সময়ে মস্কোর সাথে বিশেষ করে জ্বালানিখাতে সম্পর্ক গভীরতর করেছে।
তবে কিছু বিশ্লেষক ইঙ্গিত দিয়েছেন, চীন শেষ পর্যন্ত ইউক্রেনের যুদ্ধের অবসানে আলোচনার জন্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পদক্ষেপ নিতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা