বার্তা সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘ঈগল ৪৪’ ঘাঁটি যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন সংরক্ষণ এবং পরিচালনা করতে সক্ষম। তবে ঘাঁটির অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়, এটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিমান বাহিনীর ঘাঁটিগুলোর মধ্যে একটি। অনেক গভীরে নির্মিত ঘাঁটিটিতে দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রসহ যুদ্ধবিমান রাখা আছে।
.png)
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ বাঘেরি রাষ্ট্রীয় টিভিকে বলেছেন, ইসরায়েলসহ শত্রুদের কাছ থেকে ইরানের ওপর যে কোনো আক্রমণের জবাব ঈগল ৪৪ সহ আমাদের অনেক বিমান ঘাঁটি থেকে দেওয়া যাবে।
এর আগে, গত বছরের মে মাসে ইরানের সেনাবাহিনী আরেকটি ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি সম্পর্কে জানিয়েছিল। ঐ ঘাঁটিতে ড্রোন রয়েছে বলে জানানো হয়েছিল। দেশটি আঞ্চলিক চিরশত্রু ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলা থেকে সামরিক সম্পদ রক্ষা করতে চায় বলে এই ঘাঁটি নির্মাণ করা হয়েছে।