স্টোনএক্সের বিশ্লেষক রোনা ও’কনেল বলেছেন, ওপেক প্লাসের উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক বাজারে এক ধরনের মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। তেলের উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্তে একদিকে ডলারের দাম বেড়েছে, অন্যদিকে সোনার দাম কমিয়ে দিয়েছে।
বিশ্ববাজারের এমন পরিস্থিতিতে মুদ্রাস্ফীতির কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদ হার বৃদ্ধি করতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। যা বাজারে নতুন করে মূল্য নির্ধারণ করতে পারে।
অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে ইউরোপীয় শেয়ারের দামও বেড়েছে। তবে এতে লাভের পরিমাণ ছিল সীমিত। এছাড়া নতুন করে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কায় মার্কিন ও ইউরোপীয় বন্ডের পতন বেড়েছে।
.png)