সূর্যের ক্ষতিকারক ইউভি রশ্মি থেকে রক্ষা করবে অদ্ভুত এ পোশাক। ‘ফেসকিনিস’ হলো এক ধরনের মুখোশ যার চোখ, নাক ও ঠোঁটের অংশে তিনটি ছিদ্র থাকে। রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠা পোশাকটিতে রয়েছে আলাদা হাতা, প্রশস্ত টুপি এবং হালকা ওজনের জ্যাকেট। খবর রয়টার্স।
অভিনব এ পোশাকে রংশৈলী অত্যন্ত চকচকে এবং আঁটসাঁট। পোশাকটি পরিধান করলে সূর্যের তাপ থেকে মিলবে প্রায় সম্পূর্ণ সুরক্ষা। সুলভমূল্যে কিনতে পারায় পণ্যটির চাহিদাও বাড়ছে দিন দিন। তাপরোধী এ পোশাক কিনতে গুনতে হবে ২ দশমিক ৪০ থেকে ৪ ডলার।
.png)
অন্যান্য দেশের মতো চীনের তাপমাত্রাও রেকর্ড ছাড়িয়েছে। বাতাসে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও কিছু কিছু এলাকায় তা ৫০ ডিগ্রি অনুভূত হয়। এছাড়াও চীনে কিংদাও সৈকতে এখন পর্যটকদের ভিড়। দর্শনার্থীরা সমুদ্রের জলে সূর্যস্নান করতে গেলে পুড়ে যাচ্ছে পিঠ। তাইতো অনেক চীনা নাগরিক বেছে নিচ্ছেন অভিনব এ পোশাক। আবার অনেকে ত্বকের নানান সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কিনে নিয়েছে পরিধেয় এ বিশেষ বস্ত্র।
ওয়াং নামে একজন ফেসকিনি বিক্রেতা রয়টার্সকে বলেন, দুই-তিন বছর আগের মহামারির তুলনায় এখন বিক্রি অনেক ভালো। এ বছর বিক্রির পরিমাণ অনেক বেড়েছে।
চীনসহ পূর্ব এশিয়ার অনেক নারী ভোক্তা ফর্সা ত্বক পছন্দ করে। দক্ষিণ কোরিয়াসহ এ অঞ্চলের অনেক রোদ থেকে সুরক্ষা প্রদানকারী পণ্য ব্যাপক জনপ্রিয়। ফর্সা ত্বকের নারী সেখানে যেমন প্রশংসা পায় তেমনি তামাটে ত্বকের নারীদের বলা হয় শ্রমিক বা কর্মী।
বেইজিংয়ের পর্যটন এলাকায় মায়ের সঙ্গে বেড়াতে এসেছে লি জুয়ান। তাদের দুজনের পরনেই মাস্ক, যাতে চেহারা প্রায় পুরোটাই ঢাকা। ১৭ বছর বয়সি শিক্ষার্থী লি জুয়ান বলে, আমার মূল উদ্বেগের বিষয় হল সম্ভাব্য চর্মরোগ বা মুখে সূর্যের দাগ পড়ে যাওয়া।
চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, পর্যটকরা একটি ১২ মিটার লম্বা থার্মোমিটারের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছে। থার্মোমিটারটি সরাসরি জিনজিয়াংয়ের ফ্লেমিং পর্বতমালার ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দেখাচ্ছে।