ওয়াগনার গ্রুপের টেলিগ্রাম চ্যানেলে ওই ভিডিওটি পোস্ট হয়েছে। ভিডিওতে প্রিগোজিনকে বলতে শোনা গেছে, আফ্রিকাকে আরো মুক্ত করতে ও সব মহাদেশেই রাশিয়ার শক্তি বৃদ্ধি করতে তিনি এখানে।
ওয়াগনার বাহিনীর প্রধান যে আফ্রিকায়, তা অবশ্য বোঝা গিয়েছিল গত মাসেই। তখনই তিনি একটি বার্তা দেন। বার্তায় নাইজারে সেনা অভ্যুত্থানের সমর্থনে যুক্তি দিতে দেখা যায় তাকে।
.png)
তার দাবি, নাইজার পশ্চিমের উপনিবেশকারীদের দখল থেকে মুক্ত হয়েছে। সরাসরি অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার কথা স্বীকার না করলেও বিদ্রোহী সেনাদের মদত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তারও আগে জুন মাসেই এক বার্তায় নিজের সেনাদলকে নতুন আফ্রিকা অভিযানের জন্য তৈরি থাকার কথা বলেছিলেন প্রিগোজিন।
গত জুন মাসে রুশ সামরিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে গোটা বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন প্রিগোজিন। পরে অবশ্য জানা যায়, লড়াই থামিয়ে বেলারুশে ঘাঁটি গেড়েছেন ওয়াগনার প্রধান। শোনা যায়, পুতিনের সঙ্গে নাকি বোঝাপড়াও হয়ে গেছে তার।
মস্কো আগেই জানিয়েছিল, মালিতে যেভাবে কাজ করছিল ওয়াগনার সেভাবেই কাজ চলবে।