২৫ বছরে ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ মানুষের
পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে দুই দশকে ভূমিকম্পে প্রাণ হারিয়েছে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ। আহত হয়েছেন লাখ লাখ। আর বাস্তচ্যুত হয়েছেন কোটি কোটি মানুষ।
গত শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মরোক্কায় এক ভূমিকম্পে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। দুইদিন পরও নিহতের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। যা শেষ দুই দশকে ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এবার আরো কিছু ভূমিকম্পের তথ্য তুলে ধরা হলো–
• সেপ্টেম্বর ২০২৩, মরক্কো: ৬ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণ গেছে ২ হাজারের বেশি মানুষের। আহত অন্তত দেড় হাজার।
.png)
• ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, তুরস্ক-সিরিয়া: ওই দিন ভোরে দেশটির ইতিহাসে স্মরণকালের শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে ৫০ হাজারের মতো মানুষ প্রাণ হারান।
• ২৫ এপ্রিল ২০১৫, নেপাল: ৭ দশমিক ৮ মাত্রার কম্পনে বহু বাড়ি-ঘর শেষ হয়ে যায় মুহূর্তে। ওই ঘটনায় ৮ হাজার ৮০০ মানুষ নিহত হন।
• ১১ মার্চ ২০১১, জাপান: দেশটির উত্তর-পূর্বে ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে উপকূলে সুনামি দেখা দেয়। প্রাণ হারান ১৮ হাজার ৪০০ মানুষ।
• ২ জানুয়ারি ২০১০: হাইতিতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে মারা যান লক্ষাধিক মানুষ। ধারণা করা হয়েছিল, তিন লাখ ছাড়বে।
• ১২ মে ২০০৮: চীনে ৭ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে মারা যান ৮৭ হাজার ৫০০ মানুষ।
• ২৬ ডিসেম্বর ২০০৪: ৯ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ায়। সৃষ্ট সুনামিতে ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। এর দুই বছর পর ২০০৬ সালের ২৭ মে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে আরও ৫ হাজার ৭০০ এর বেশি মানুষ নিহত হন।
• ৮ অক্টোবর ২০০৫: কাশ্মীরে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার কম্পনে মৃত্যু হয় কমপক্ষে ৮০ হাজার।
• ২৬ ডিসেম্বর ২০০৩: মধ্যপ্রাচ্যের ইরানে ৬ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ২০০১ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ২০ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান