সর্বকনিষ্ঠ প্রেসিডেন্ট পেলো ইকুয়েডর
নিজেদের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রেসিডেন্ট পেয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডর।
গত রোববার (১৫ অক্টোবর) দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ হয়। ৯০ শতাংশ ভোট গণনার পর সোমবার ৩৫ বছর বয়সী ব্যবসায়ী ড্যানিয়েল নোবোয়াকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম দফার ভোটে এগিয়ে থাকা দুই প্রার্থী লুইসা ম্যাগদালেনা গঞ্জালেস ও ড্যানিয়েল নোবোয়া পরবর্তী দফার নির্বাচনে লড়েন।
.png)
নোবোয়া একজন কেন্দ্রবাদী। তার বামপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী লুইসা গঞ্জালেজের চেয়ে চার শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। গঞ্জালেজ এই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছেন এবং বিজয়ী নোবোয়াকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বিজয়ী হওয়ার পর এক বক্তৃতায় নোবোয়া বলেন, দেশে হাসি এবং শান্তি ফিরিয়ে দেবেন তিনি।
নির্বাচনী প্রচারণার সময় নানা সহিংসতা দেখেছে দেশটি। আগস্টে প্রথম দফার ভোটের কয়েক দিন আগে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিও খুন হয়েছিলেন। ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ইকুয়েডরে হত্যার হার চার গুণ বেড়েছে এবং জনমত জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ভোটারদের প্রধান উদ্বেগ ছিল নিরাপত্তার বিষয়টি।
সশস্ত্র সৈন্যদের পাশে নিয়ে নোবোয়া মঞ্চে এসে বলেন, ‘আগামীকাল থেকে আমরা একটি নতুন ইকুয়েডরের জন্য কাজ শুরু করব। সহিংসতা, দুর্নীতি এবং ঘৃণায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশটি পুনর্গঠন করব।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, ড্যানিয়েল নোবোয়ার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কম। সীমিত সময়ে ইকুয়েডরের নিরাপত্তা সমস্যা এবং খারাপ অর্থনীতির সঙ্গে মোকাবেলা করার ক্ষেত্রে তাকে কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যদিও ইকুয়েডরে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ সাধারণত চার বছর দীর্ঘ হয়। তবে এটা ছিল বিদায়ী প্রেসিডেন্ট গুইলারমো লাসোর পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার পর একটি প্রাথমিক নির্বাচন।
নোবোয়া ল্যাসোর শুরু হওয়া মেয়াদের জন্য কাজ করবেন। যা ২০২৫ সালের মে মাসে শেষ হবে। তারপর তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে দাঁড়াতে পারবেন।