গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা জানিয়েছেন, উত্তর গাজায় জাতিসংঘ-পরিচালিত ওসামা বেন জাইদ স্কুলে শুক্রবার ইসরায়েলি হামলায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
ফুটেজ ও ফটোতে দেখা গেছে, বিমান হামলার কারণে নিহতদের লাশ টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। আহতদের গাজা শহরের ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
.png)
ঘটনাস্থলে থাকা আল জাজিরার সাংবাদিক আনাস আল-শরীফ জানিয়েছেন, স্কুলের দেয়াল রক্তের দাগে ভরে গেছে। তিনি বলেন, হামলার সময় মানুষজন ঘুমাচ্ছিল।
এই হামলার একদিন আগেই জাতিসংঘ-পরিচালিত আরো ৪টি স্কুলে ইসরায়েল বোমাবর্ষণ করেছে বলে জানিয়েছিল গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
গাজা উপত্যকার অন্যান্য স্থান থেকে প্রাণভয়ে সাধারণ ফিলিস্তিনিরা বিভিন্ন হাসপাতাল প্রাঙ্গণের পাশাপাশি জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। যেসব স্থানে বেসামরিক নাগরিক রয়েছে সে সব স্থানের তালিকা ও ঠিকানা তেল আবিবকে জানিয়েছে জাতিসংঘ। কিন্তু তারপরও বর্বর ইসরায়েলি সেনারা এখন বিমান হামলা থেকে কোনো স্থানকেই নিরাপদ রাখছে না।