ওই ডাক্তার বলেন, ইসরায়েলি অবরোধ এবং হামলায় গৃহহীন হাজার হাজার লোক এখানে রয়েছেন যাদের অনেকের অবস্থা গুরুতর। এ অবস্থায় হাসপাতাল খালি করা একটি অসম্ভব কাজ। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আল-শিফা হাসপাতালে অবস্থানরত সবাইকে আল-রশিদ রাস্তা দিয়ে সরে যাওয়ার জন্য মাত্র এক ঘণ্টা সময় দিয়েছে, যেটিকে আমরা সমুদ্র রাস্তা বলে থাকি।
দক্ষিণে সরে যাওয়ার জন্য গাজার অধিবাসীরা এই রাস্তাটি সাধারণত ব্যবহার করে না। তারা সাধারণত সালাহ আল-দীন সড়ক ব্যবহার করে।
.png)
ওই ডাক্তার আরো বলছেন, তাদের কাছে কোনো অ্যাম্বুলেন্স নেই। যার কারণে সদ্যজাত শিশু এবং গুরুতর আহত রোগীদের এক ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে নেয়া অসম্ভব।
আল-শিফা হাসপাতালের প্রশাসকের বরাতে জাতিসংঘের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১১ নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চারটি সদ্যজাত অপরিণত শিশুসহ ৪০ জন রোগী মারা গেছে।
জানা গেছে, পানি সরবরাহ এবং পয়ঃনিষ্কাশন কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন দুটি জ্বালানি ট্রাক গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেবে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থা গুলো বলছে এই পরিমাণ যথেষ্ট নয়।