ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ আন্তর্জাতিক ]

লুকিয়ে তিন বিয়ে, স্বামীকে শায়েস্তা করতে যা করলেন দুই স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯:১১, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩
লুকিয়ে তিন বিয়ে, স্বামীকে শায়েস্তা করতে যা করলেন দুই স্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

দুই বিয়ে করার পর লুকিয়ে আরো একটি বিয়ে করছিলেন যুবক। কিন্তু সেই খবর পেয়ে সেখানে হঠাৎ উপস্থিত হন প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো তুলকালাম শুরু হয়েছে গ্রামে। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে ঘটেছে এ ঘটনা।

জানা গেছে, কালনার ধর্মডাঙা গ্রামের বাসিন্দা শুভঙ্কর হালদার। শুক্রবার দুপুরে তার বাড়ির সামনে হঠাৎ ধরনায় বসে পড়েন দুই নারী। দু’জনেই নিজেকে ওই যুবকের স্ত্রী বলে দাবি করেন! গ্রামবাসীরা জানান, শুভঙ্কর বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু সেই স্ত্রীর সঙ্গে এখন আর কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে নিজেকে দ্বিতীয় স্ত্রী পরিচয় দেওয়া চামেলি হালদারের দাবি, স্বামী তাকে খেতে দিতেন না। কয়েক মাস ধরে বাবার বাড়িতে রয়েছেন তিনি। এমনকি, আগে যে একবার বিয়ে করেছিলেন, সেই কথা নাকি চেপে গিয়েছিলেন শুভঙ্কর।

চামেলির বক্তব্য, আমার স্বামীর তিনটি বিয়ে। এখানে ওখানে বিয়ে করে সংসার পাতিয়ে থাকে। আজ সেই প্রমাণ হাতে নিয়েই এসেছি। এই নারীকেও বিয়ে করেছে। আমার আগে একজনকে বিয়ে করেছিল, তা জানায়নি। আমার সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে দেওয়ার দাবি জানাতে এখানে এসেছি।

অন্যদিকে কাকলি নামে আরেক নারী একটি নথি দেখিয়ে শুভঙ্করের সঙ্গে তার রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেন। স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে তিনি জানান, শুভঙ্কর আমাকে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেছে। ওর বাবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল বলে আমার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছিল। বাড়ি বন্ধক রেখে সেই টাকা দিয়েছিলাম।

তিনি আরো জানান, কালনায় আত্মীয় বাড়ি থেকেই ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক তৈরি হয়। শুভঙ্কর জানায়, ও স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছে। বহুদিন আমার কাছে ছিল। খাওয়াপরা থেকে যাবতীয় খরচ আমি বহন করেছি। দফায় দফায় আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। এখন আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায় না। অন্য একজনের প্রেমে পড়েছে। এখন ওকে দেওয়া পুরো টাকা ফেরত দিক, নাহলে আমাকে ঘরে তুলুক।

যদিও শুভঙ্কর বলছেন, একজন আমার বিবাহিত স্ত্রী। তার সঙ্গে চার বছর সংসার করেছি। আমি বাড়িতে ছিলাম না। সেই সময় পরিবারের সবার নামে মামলা করেছিল। আর একজন যে নারী এসেছেন, তিনি কালনার কদমতলায় থাকেন। আমার মতো বেশ কয়েকজনকে তিনি ফাঁসিয়েছেন।

ঘটনাস্থলে এসে পঞ্চায়েত সদস্য প্রদীপ মণ্ডল জানান, কাগজপত্র দেখে কিছু বোঝা যাচ্ছে না। তাই তাদের কিছু করার হলে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!