সোমবার (১১ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
জানা গেছে, নাভালনিকে সর্বশেষ আইকে-৬ পেনাল কলোনিতে রাখা হয়েছিল।
.png)
রাশিয়ার পেনাল কলোনিগুলো বন্দীদের কঠিন জীবনযাত্রা ও বর্বরতার জন্য পরিচিত। বন্দীদের পৃথক সেলের বদলে ব্যারাকে রাখা হয়। তাদের দিয়ে জোর করে দৈনন্দিন কাজ করানো হয়। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হলেও তাদের চলাফেরা করার সুযোগ বেশ সীমিত।
উগ্রপন্থায় উসকানিসহ নানা অভিযোগে নাভালনিকে গত আগস্টে ১৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরই মধ্যে তিনি প্রতারণা ও অন্যান্য অভিযোগের দায়ে সাড়ে ১১ বছর কারাভোগ করেছেন।
৪৭ বছর বয়সী নাভালনির নিখোঁজের খবর এমন সময়ে এল, যখন আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। ২০২৪ সালের মার্চে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
এর আগে ২০২০ সালের ২০ আগস্ট সাইবেরিয়ার টমসক শহর থেকে মস্কোয় যাওয়ার পথে উড়োজাহাজে অসুস্থ হয়ে পড়েন নাভালনি। তাকে বহনকারী উড়োজাহাজ সাইবেরিয়ার ওমস্কে জরুরি অবতরণ করে। সেখানকার একটি হাসপাতালে নেয়া হয় তাকে। তিনি কোমায় চলে গিয়েছিলেন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য জার্মানির বার্লিনে নেয়া হয়। সেখানে তিনি ধীরে ধীরে সেরে ওঠেন।
জার্মানির চিকিৎসকেরা জানান, নাভালনিকে নার্ভ এজেন্ট প্রয়োগ করা হয়েছে বলে স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। ফ্রান্স ও সুইডেনের পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করেও নাভালনিকে বিষ প্রয়োগের প্রমাণ মিলেছে।
জার্মানিতে দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে গত বছর দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই গ্রেফতার করা হয় নাভালনিকে।
নিজের বিরুদ্ধে সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন তিনি। নাভালনি ও তার সমর্থকেরা এসব অভিযোগ ভুয়া বলে দাবি করে আসছেন। এরই মধ্যে নাভালনি ও তার দলের নেতা-কর্মীদের চরমপন্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে রুশ প্রশাসন।