ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ইউক্রেনে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে রুশ কেএইচ-২২ মিসাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩:১৮, ১ জানুয়ারি ২০২৪
ইউক্রেনে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে রুশ কেএইচ-২২ মিসাইল
কেএইচ-২২ - ফাইল ছবি

ইউক্রেনের জন্য মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে রাশিয়ার কেএইচ-২২ সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল। খোদ ইউক্রেনই বলছে, যুদ্ধের ময়দানে পুরোপুরি অপ্রতিরোধ্য এই ক্ষেপণাস্ত্র। চলমান যুদ্ধে, ইউক্রেনজুড়ে কেএইচ-২২ মিসাইল ছোড়া হয়েছে প্রায় ৩০০টি। যার একটিও ভূপাতিত করতে পারেনি কিয়েভ সেনারা। সোভিয়েত যুগে তৈরি এই মিসাইল পারমাণবিক ও প্রচলিত- দু’ধরণের বিস্ফোরক বহনেই সক্ষম।

বছর শেষ হওয়ার মাত্র দু’দিন আগে ইউক্রেনজুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে রাশিয়া। রাজধানী কিয়েভ, খারকিভসহ বেশ কয়েকটি শহর কেঁপে উঠেছে একের পর এক রুশ মিসাইল আর ড্রোনের আঘাতে। ২২ মাসের যুদ্ধে এর আগে এত জোরালো হামলার সাক্ষী হয়নি দেশটি।

একদিনেই মোট ১৫৮টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রাশিয়া, যারমধ্যে রয়েছে শাহেদ ড্রোন, কেএইচ-১০১, কেএইচ-৫৫৫ ক্রুজ মিসাইল, কেএইচ-২২ স্টর্ম ক্রুজ মিসাইল ও ইস্কান্দার ব্যালেস্টিক মিসাইল। এরমধ্যে, ১১৪টি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রই ভূপাতিত করেছে ইউক্রেন। তবে, আটটি কেএইচ-২২ ক্ষেপণাস্ত্রের একটিও ধ্বংস করতে পারেনি কিয়েভ সেনারা। শুধু এবারই নয়, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় তিনশ’টি এই সুপারসনিক মিসাইল ছুঁড়েছে রাশিয়া, যার প্রত্যেকটিই আঘাত হেনেছে লক্ষ্যবস্তুতে।

Advertisement

৬০ এর দশকে সোভিয়েত আমলে তৈরি এই সুপারসনিক মিসাইলের উন্নত সংস্করণ বের করা হয় ৭০ এর দশকে। ঘন্টায় ৪ হাজার কিলোমিটার গতি সম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রটি ১ হাজার কিলোগ্রাম পর্যন্ত বিস্ফোরক বহনে সক্ষম। এছাড়া বহন করতে পারে পারমাণবিক ও প্রচলিত দুই ধরণের বিস্ফোরকই। সবশেষে ২০১৬ সালে রুশ ভাণ্ডারে যুক্ত হয়েছে এর সবচেয়ে আধুনিক সংস্করণ কেএইচ-৩২।

সাধারণত টি-ইউ ২২ এম৩ কৌশলগত বোমারু বিমান থেকে ছোঁড়া হয় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রটি। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙার পর, ৩৮৬টি কেএইচ-২২ মিসাইলের মালিক হয়েছিলো ইউক্রেনও। ২০০০ সালে পারমাণবিক অস্ত্রশূন্য হওয়ার লক্ষ্যে এক চুক্তির আওতায় সবগুলোই রাশিয়াকে দিয়েছিলো দেশটি।

অত্যাধুনিক এসব ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসে প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়টের মতো অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। আর তাই পশ্চিমাদের কাছে আরও প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম সহায়তা চাচ্ছে ইউক্রেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!