শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) গাজা সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা।
গাজার মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, এভাবে ত্রাণসহায়তা দেওয়া মানবিক সেবার পরিবর্তে ‘চটকদার প্রচারণা’। আমরা আগে সতর্ক করে দিয়েছিলাম যে এটি গাজা উপত্যকার নাগরিকদের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। বিমান থেকে ফেলা পার্সেল মানুষের মাথায় পড়ে আজ এই ঘটনা ঘটল।"
.png)
হামাসচালিত এই দপ্তর আরও জানিয়েছে, আমরা আগে সতর্ক করেছিলাম এই ধরনের অপারেশন অকেজো। ত্রাণসহায়তা দেওয়ার সর্বোত্তম উপায় নয়। অনেক বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার আগে স্থল সীমান্ত ক্রসিংয়ের মাধ্যমে ত্রাণসহায়তা আনার ব্যবস্থা করুন।।
সরকারি তথ্য অনু্যায়ী, গাজায় অন্তত ২০ জন মানুষ অনাহারে মারা গেছেন এবং ৭ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি চরম ক্ষুধায় ভুগছে বলে এই সংখ্যা বাড়তে পারে।
গাজার এমন ভয়াবহ মানবিক সংকটের সময় ত্রাণ সহায়তার পরিমাণ বাড়াতে সেখানে একটি অস্থায়ী বন্দর নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গাজায় ত্রাণ সহায়তা দিতে সামুদ্রিক করিডোর খোলার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।