ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চলছে ভোট গণনা; এগিয়ে কারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৫১, ২৯ জুন ২০২৪
ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চলছে ভোট গণনা; এগিয়ে কারা
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিম এশিয়ার দেশ ইরানে আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল আটটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শিডিউড অনুযায়ী টানা সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলার কথা। তবে এরপরও ভোটার উপস্থিতি থাকায় ভোটদানের সময় বাড়ানো হয়। ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনা।

সংবাদমাধ্যম রয়টার্স শনিবার (২৯ জুন) এক প্রতিবেদন জানিয়েছে, সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অনুগত সাঈদ জালিলি ভোট পাওয়ার দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার পরেই অবস্থান করছেন সংস্কারপন্থী মাসুদ পাজেশকিন।

জানা গেছে, খামেনির নেতৃত্বে গঠিত কট্টরপন্থী একটি কর্তৃপক্ষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ছয়জনকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছিল। পরে দুই কট্টরপন্থী নিজেদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে লড়াই করেছেন চার প্রার্থী। এর মধ্যে তিনজন কট্টরপন্থী এবং একজন তুলনামূলক সংস্কারপন্থী।

Advertisement

ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মোহসেন ইসলামী রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, এখন পর্যন্ত ১ কোটিরও বেশি ভোট গণনা করা হয়েছে। যার মধ্যে কট্টরপন্থী সাবেক পারমাণবিক আলোচক সাঈদ জালিলি ৪২ লাখ ৬০ হাজার ভোট পেয়েছেন। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাসুজ পাজেশকিন পেয়েছেন ৪২ লাখ ৪০ হাজার ভোট।

ভোটে এগিয়ে আছেন সাঈদ জালিলি। তিনি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কাছের লোক হিসেবে পরিচিত।

একাধিক নির্বাচনী কর্মকর্তা জানিয়েছেন এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ৪০ শতাংশ ভোটার। দেশটির ধর্মীয় নেতারা যে পরিমাণ ভোটার উপস্থিতির আশা করেছিলেন, এটি তার চেয়ে অনেক কম। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানিয়েছেন, রাজধানী তেহরান এবং অন্যান্য শহরের ভোটকেন্দ্রগুলো খালি ছিল।

ইরানের আধাসরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনটি ‘রানঅফে’ গড়াবে এটি অনেকটাই নিশ্চিত।

ইরানের নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যেসব প্রার্থী অংশ নেবেন তাদের মধ্যে কেউ যদি সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে চান তাহলে তাকে মোট ভোটের ৫০ শতাংশ বা তারও বেশি ভোট পেতে হবে।

কোনো প্রার্থী এই ‘ম্যাজিক ফিগার’ স্পর্শ করতে না পারলে নির্বাচন গড়াবে রানঅফে। যেখানে সর্বোচ্চ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এই রানঅফে যে প্রার্থী সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!