সংবাদমাধ্যম এএফপির এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বালির জেম্ব্রানাতে শুধু কুকুরের ৫০০টি কাবাব এবং ৫৬ কেজি কাঁচা মাংস জব্দ করা হয়েছে।
এদিকে এ ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বালির পাবলিক অর্ডার এজেন্সির প্রধান দিয়া নাইয়োমান ধর্মাদি। তিনি জানিয়েছেন, যারা কুকুরের মাংস বিক্রি করছে তাদের এখন সতর্ক করা হচ্ছে। এরপরও যদি তারা বিক্রি অব্যাহত রাখা হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
.png)
‘কুকুরের মাংস কোনো খাবার নয়। এটির মাধ্যমে রোগ বালাই ছড়াতে পারে। কুকুরের মাংস স্বাস্থ্যকর এমন কুসংস্কারে কেউ বিশ্বাস করবেন না। এটি ভুল’, বলেন দিয়া নাইয়োমান ধর্মাদি।
সাধারণত যেসব প্রাণীর মাংস মানুষ খেয়ে থাকে সেগুলো লালন পালন করা হয়। কিন্তু কুকুরের মাংসের ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত তারা পোষা কুকুর চুরি, এলাকার কুকুর অথবা রাস্তার কুকুরকে ধরে নিয়ে গিয়ে সেগুলো হত্যা করে। এরপর সেগুলো মানুষের কাছে বিক্রি করে।
বিশ্বব্যাপী কুকুর এবং বিড়ালের মাংস খাওয়াকে একটি নিন্দনীয় বিষয় হিসেবে দেখা হয়। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই এগুলো নিষিদ্ধ।