জেলেনস্কি তার ভাষণে বলেন, কুরস্ক অঞ্চলে আমাদের বাহিনীর অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে। যদিও পরিস্থিতি কঠিন এবং লড়াই তীব্র। তিনি একটি ভিডিও কলের ফুটেজ পোস্ট করেন যেখানে তিনি সামরিক প্রধান ওলেক্সান্ডার সিরস্কির সাথে কথা বলছেন।
সিরস্কি তাকে জানান, আজকের হিসাবে, আমাদের বাহিনী কিছু এলাকায় ১ থেকে ৩ কিলোমিটার অগ্রসর হয়েছে।
.png)
সিরস্কি আরো জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেন ৪০ বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা দখল করেছে এবং সোমবার তিনি জানান, ইউক্রেনের সেনারা প্রায় ১,০০০ বর্গকিলোমিটার রুশ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যে কুরস্ক অঞ্চল থেকে প্রায় ১ লাখ ২১ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ। পুতিনের সঙ্গে এক বৈঠকে ‘পরিস্থিতি খুব কঠিন’ উল্লেখ করে কুরস্কের ভারপ্রাপ্ত গভর্নর আলেক্সি স্মিরনভ জানিয়েছেন, ইউক্রেনের বাহিনী ওই অঞ্চলের ২৮টি গ্রাম এখন নিয়ন্ত্রণ করছে। শুধু তাই নয়, ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এখনো ২ হাজার রুশ নাগরিক রয়ে গেছে। তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা এখনো অজানা।
ইউক্রেনের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, রাশিয়ার অভ্যন্তরে কয়েক হাজার সেনা অভিযান পরিচালনা করছে। এখন পর্যন্ত এটিই রাশিয়ার ভূখণ্ডে ইউক্রেনের বাহিনীর সবচেয়ে বড় সমন্বিত আক্রমণ।
এদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সীমান্ত অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক ডেকেছেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হওয়া বৈঠকে তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজ হলো শত্রুকে আমাদের এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া।