স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তুষারপাতের কারণে কুল্লুতে যান চলাচল থমকে গিয়েছে। রাস্তা থেকে বরফ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে আরো সময় লাগবে। হিমাচলের অন্য জেলাগুলোর অবস্থাও একই রকম। তুষারপাতের পাশাপাশি শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতাও জারি করা হয়েছে উত্তর ভারতের এই রাজ্যের জন্য।
শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় কুল্লু পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুক্রবার ভোর বেলা থেকে তুষারপাত শুরু হওয়ায় সোলং নালা এলাকার মহাসড়কে ইঞ্জিন বিকল হয়ে থেমে যায় প্রায় ১ হাজার গাড়ি ও বেশ কয়েকটি বাস। মূলত অতিরক্ত ঠান্ডার কারণেই এসব গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়া সেসব গাড়ি-বাস থেকে ৫ হাজার পর্যটককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার কাজ শেষ হয়েছে। এখন গাড়িগুলো সরানোর চেষ্টা চলছে।
.png)
প্রসঙ্গত, গত বড়দিন থেকে তুষারপাত শুরু হয়েছে হিমাচলের বিভিন্ন অংশে। এর মধ্যে রাজধানী সিমলাসহ ৬ জেলায় ভারি তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ জেলাগুলো হলো লাহাউল-স্পিতি, চাম্বা, কাঙ্গরা, কুল্লু এবং কিন্নাউর।