ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২৮ আগস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭:৪৮, ১১ জুলাই ২০১৯
এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২৮ আগস্ট
ফাইল ফটো

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এস কে সিনহা) ১১ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ২৮ আগস্ট ধার্য করেছে আদালত। ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) থেকে চার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

বৃহস্পতিবার মামলাটির এজাহার আদালতে পৌঁছলে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এজাহার গ্রহণ করে দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।

মামলায় অপর অভিযুক্তরা হলেন, ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম শামীম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মো. জিয়া উদ্দিন আহমেদ, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শাফিউদ্দিন আসকারী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান, একই জেলার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, সান্ত্রী রায় ওরফে সিমি ও তার স্বামী রনজিৎ চন্দ্র সাহা।

Advertisement

এর আগে গতকাল বুধবার (১০ জুলাই) দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। 
এজাহার থেকে জানা যায়, অভিযুক্তরা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) গুলশান শাখা থেকে অস্বাভাবিক দ্রুততার সঙ্গে চার কোটি টাকা ভুয়া ঋণ সৃষ্টি করে তা একই দিন পে-অর্ডারের মাধ্যমে এস কে সিনহার ব্যক্তিগত হিসাবে স্থানান্তর করেন। এরপর ২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে এস কে সিনহা নগদ, চেক ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা সরিয়ে নিয়ে তা আত্মসাৎ করেন, যা দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ (২), (৩) ধারায় এবং দণ্ডবিধি আইনের ৪০৯, ৪২০, ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ব্যাংক হিসাবে চার কোটি টাকা লেনদনের ঘটনায় জালিয়াতি প্রমাণের কথা জানিয়েছিলেন দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। এ ঘটনায় ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি কেএম শামীমসহ ছয় কর্মকর্তা এবং মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা এস কে সিনহার ব্যাংক হিসাবে চার কোটি টাকা স্থানান্তরের বিষয়টি স্বীকার করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!