শনিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এ রিমান্ড আবেদন করা হয়। বনানী থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হলে পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় রিমান্ড শুনানি হবে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
.png)
এদিকে, গত বৃহস্পতিবার আসামি রাজ ও তার সহযোগী সবুজ আলীকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মাদক মামলার সুষ্ঠু তদন্তের তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে বুধবার তার বনানীর বাসায় র্যাব অভিযান চালায়। অভিযান চলে রাত ১০টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত। অভিযানে রাজের বাসা থেকে মাদক ও সিসা সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। রাত ১০টার দিকে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে জব্দ করা মালপত্র নিয়ে আসা হয়। পরে রাজ ও তার সহযোগীকে আটক করে র্যাব সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে র্যাব সদর দফতর থেকে পরীমনি, রাজ ও তাদের দুই সহযোগীকে কালো একটি মাইক্রোবাসে করে নিয়ে বনানী থানায় রওনা দেয় র্যাবের একটি টিম। এরপর তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করে র্যাব।
মামলার এজাহারে বলা হয়, নজরুল ইসলাম ওরফে রাজের অফিসের ড্রয়িং রুমে থাকা সোফার উপর থেকে বিকৃত যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী ১৪টি, যৌনচারে ব্যবহৃত নাইলনের রশি, সাতটি যৌনকাজে ব্যবহৃত হাত পা বাঁধার মখমলের কাপড়, একটি যৌনকাজে ব্যবহৃত কালো রংয়ের মাউথ বল, দুটি যৌনকাজে ব্যবহৃত ক্লিপ, সাউন্ড বক্স উদ্ধার করা হয়। এ সময় রাজের ফোনের ফটোস অ্যান্ড ভিডিও ফোল্ডারের ভিতর অনেকগুলো অশ্লীল ভিডিও ক্লিপ পাওয়া যায়। এছাড়া আসামি সবুজ আলীর ফোনের ফাইল ম্যানেজারের ভিডিও ফোল্ডারের ভিতর অনেকগুলো অশ্লীল ভিডিও পাওয়া যায়। গ্রেফতারকৃত আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানান, উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনের মধ্যে সংরক্ষিত অশ্লীল ভিডিও ক্লিপগুলো তাদের টার্গেট নারীদের সরবরাহ করে তাদের অনৈতিক যৌনকাজে প্রলুব্ধ করার উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়।