বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল -৯ এর বিচারক হেমায়েত উদ্দিনের আদালতে তিনি এ নারাজি দেন।
এসময় তিনি বলেন, আমার জানা মতে মামলাটি ঠিকভাবে তদন্ত হয়নি। মামলাটির তদন্ত একতরফাভাবে হয়েছে।
.png)
এদিন মামলাটির অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। এজন্য পরীমনি আদালতে উপস্থিত হয়ে আদালতে অভিযোগপত্রের ওপর নারাজি দেন।
অপরদিকে নাসির ও অমি আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। এসময় পরিমনির আইনজীবী নীলাঞ্জানা রিফাত জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, আসামিরা জামিনের পর পরীমনিকে ভয়ভীতি দেখিয়েছে। আমরা আসামি নাসির ও অমির জামিন বাতিলের আবেদন করছি। এছাড়া মামলার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী, সিসি ফুটেজ কয়েকজনের সাক্ষী তদন্তে উঠে আসেনি। তাই আমরা চার্জশিটের ওপর নারাজি দিয়েছি।
নাসির ও অমির জামিন শুনানিতে তার আইনজীবীরা বলেন, জামিনের কোনো শর্তভঙ্গ করেনি তারা। তাই তাদের জামিন আবেদন করছি।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক আদালত তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এছাড়া আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহন করে নথি পর্যালোচনা করে নারাজির আদেশ পরে দিবেন বলে জানান।
গত ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন। এ মামলার অপর আসামি শহিদুল আলম পলাতক রয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৪ জুন ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন ও তার বন্ধু অমির নাম উল্লেখ করে আরো চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে সাভার থানায় মামলা করেন চিত্রনায়িকা পরীমনি।