বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালত আসামিদের অব্যাহতির খারিজ করে অভিযোগ গঠনের এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।
এদিন দুই আসামি আদালতে হাজির হন। ঢাকা বারের সভাপতি আব্দুল বাতেন, তাপস চন্দ্র দাস তাদের অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন।
.png)
এর আগে, দুই আসামি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
ক্যাসিনো ব্যবসা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রধান হিসেবে পরিচিত জাকির হোসেনের সহায়তায় চার কোটি ৬৩ লাখ ১৩ হাজার ৩০০ টাকার সম্পদ অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগে সোমাকে আসামি করে মামলা করা হয়। ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম। মামলাটি তদন্ত করে গত ২২ ফেব্রুয়ারি জাকির হোসেন ও সোমাকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি আয়েশা আক্তার সোমা একজন গৃহিণী। তার নামে আলাদা আয়কর নথি থাকলেও নিজস্ব কোনো আয়ের উৎস নেই। তবে সোমা তার স্বামী জাকির হোসেনের সহায়তায় জ্ঞাত আয় বহির্ভূত পাঁচ কোটি এক লাখ ১৫ হাজার ১৬৪ টাকার সম্পদ ভোগদখলে রেখেছেন।