তবে দুগ্ধজাত পণ্য বা দুধ সম্পর্কেই আমাদের নানা ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। তাই অনেকে জোর করে দুধ বা দুগ্ধজাত পণ্য খেয়ে থাকেন। সেই ভ্রান্ত ধারণাগুলো কী, চলুন জেনে নেয়া যাক এই বিষয়ে বিস্তারিত-
অনেকে ল্যাক্টোজ সহ্য করতে পারেনা
.png)
ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স একটি বড় সমস্যা। তবে আস্তে আস্তে মানুষ ল্যাক্টোজের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে। সামান্য দুধ মিশিয়ে কিছু রান্না করলে সচরাচর তাদের কোনো সমস্যা হয়না।
আরো পড়ুন: চুলের যাবতীয় সমস্যা নির্মূল করবে তেজপাতা
ক্যালসিয়ামের একমাত্র মাধ্যম
একদমই ভুল ধারণা। দুধে দৈনিক চাহিদার ৩০ শতাংশ ক্যালসিয়াম থাকে। অন্যদিকে এক কাপ কমলার জুসেই দৈনিক চাহিদার ৩৫ শতাংশ ক্যালসিয়াম থাকে। তাই দুধ ক্যালসিয়ামের একমাত্র উৎস না।
দুধ রক্তসঞ্চালনে সমস্যা করে
অনেকে মনে করেন ডেইরি পণ্য মিউকাস উৎপন্ন করায়। ফলে রক্তসঞ্চালনে বাধা হয় এবং ঠাণ্ডার সমস্যা বৃদ্ধি পায়। একদমই ভুল ধারণা। দুধ খেলে অবশ্যই একটু ঝিমঝিম ভাব কাজ করে তবে ব্যাপারটা মানসিক।
বেশি দুধ খেলে হাড় দৃঢ় হয়
দুধ খেলে আমাদের দেহের হাড়ের উন্নতি হয় একথা সত্য। কিন্তু ফ্র্যাকচার দ্রুত ঠিক করতে কিংবা হাড় অনেক দৃঢ় করতে দুধ পরীক্ষিত খাদ্য না। হাড়ের দৃঢ়তা কীভাবে বাড়ানো যায় এ নিয়ে এখনো গবেষণার অবকাশ আছে অনেক।