কিন্তু ঢাকার শীত হলিউড সিনেমার বরফশীতল তুষাররাজ্যের মতো না। এই শীত খুবই হালকা, তবে সে আসছে...।
আপনি কি বুটের দলে?
.png)
বুটের প্রসঙ্গে ঢাকার বাসিন্দারা কয়েক ভাগে বিভক্ত। এক দল আছেন, যারা বছরজুড়েই স্যান্ডেল পরে কাটিয়ে দেন। তাদের মতে, এমন শীতের জন্য বুটজুতা অতিরিক্ত হয়ে যায়। আর বাকিরা ঠিক ভিন্ন ধাচের, বুটপ্রেমীদের দলে। এদের স্লোগান হচ্ছে- বুট শুধুমাত্র ফ্যাশন নয়, নিজেকে তুলে ধরার মাধ্যম।
বুট পায়ে দিয়ে চলার সঙ্গে আপনি চাইলে বন-পাহাড়ের কাদা-গর্ত উপেক্ষা করে ভারী গাড়ি চালিয়ে চষে বেড়ানোর তুলনা করতে পারেন।
এদিকে ঢাকার কংক্রিটের রাস্তায় চলাচলের জন্য বুট খুব যুৎসই। আর তাই বুট পায়ে থাকলে রাস্তার কাদা, গর্ত, খানাখন্দ পাড়ি দেওয়াও কোনো বিষয়ই না।
বুটজুতা যেন শীতকালের সত্যিকারের এক সুপারহিরো। এটি এক নিমিষেই যেকোনো লুকের জন্য তৈরি করে দেয়। শহরের ক্যাজুয়াল থেকে শুরু করে জঙ্গলের অ্যাডভেঞ্চার লুক-সবখানেই বুটজুতার ব্যবহার দেখা যায়।
ঢাকার এই কংক্রিটের দালান-কোঠা আর রাস্তা-ঘাটের মেলায় বুটজুতা যেন সুইস আর্মি নাইফের মতো কাজ করে। এর রয়েছে আরো বহুবিধ ব্যবহার। যেমন- অফিসের পর ফ্যান্সি ডিনার, বৃষ্টির দিনে বন্ধুদের সঙ্গে কফি, এমনকি লম্বা উচ্চতার কারো পাশে পাল্লা দিতে চলতেও বুটের কোনো জুড়ি নেই।