ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বাজার দর ]

লাফিয়ে বাড়ছে ডিম-কাঁচা মরিচের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:২১, ২০ মে ২০২৪
লাফিয়ে বাড়ছে ডিম-কাঁচা মরিচের দাম
ফাইল ফটো

লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডিম-কাঁচা মরিচের দাম। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা হয়েছে। অন্যদিকে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দামও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্যটির দাম দ্বিগুণ বেড়ে ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে। রোববার (১৯ মে) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কিছুদিনে সারাদেশে তীব্র দাবদাহের কারণে খামারে অনেক মুরগি মরে গেছে। এতে ডিমের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। 

ডিমের বাজার ঘুরে দেখা যায়, দুই সপ্তাহ আগে ১২০ টাকায় বিক্রি হওয়া ডিম এখন ৩৫ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। এই হিসাবে একটি ডিমের দাম পড়ছে ১৩ টাকার বেশি। 

Advertisement

অন্যদিকে ডিমের দাম বাড়ার বিষয়টি বাজারদরের প্রতিবেদনে তুলে ধরে টিসিবি জানিয়েছে, রোববার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি হালি ফার্মের ডিম বিক্রি হয়েছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। এক মাসের ব্যবধানে ডিমের দাম প্রায় ১৭ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। 

ডিম ব্যবসায়ীরা বলেন, গত কিছুদিনে সারাদেশে তীব্র দাবদাহের কারণে খামারে অনেক মুরগি মরে গেছে। এতে ডিমের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এখন ডিমের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু ডিমের উৎপাদন কমেছে। এতে ডিমের দাম বেড়েছে। 

এর আগে ডিমের বাজারে অস্থিরতা দেখা গেলে ডিমের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দেয় কৃষি বিপণন অধিদফতর। ডিমের উৎপাদন খরচ হিসাব করে গত ১৫ই মার্চ সংস্থাটি পণ্যটির খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে ১০ টাকা ৪৯ পয়সা। যদিও বাজারে তার বাস্তবায়ন দেখা যায়নি।

রাজধানীর তালতলা ও আগারগাঁও বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ মানভেদে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগেও এই মরিচের দাম ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা। অর্থাৎ এ সময়ে কাঁচা মরিচের দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। যদিও কাওরান বাজারে মরিচের দাম কিছুটা কম পাওয়া গেছে। এই বাজারে গতকাল সর্বোচ্চ ১৮০ টাকায় মরিচ বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কাঁচা মরিচের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ছিল ২০০ টাকা। 

মরিচের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বিক্রেতারা বলেন, বছরের এই সময়ে বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম থাকে। কারণ, গ্রীষ্মকালীন মরিচের গাছ এখন শুকিয়ে যায়। এজন্য ফলনও আগের তুলনায় কম হয়। ফলে আমদানি করে মরিচের প্রয়োজন মেটাতে হয়। তবে এবার মরিচের দাম বাড়তে থাকলেও তা এখনো আমদানি করা হয়নি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!