রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে- দেশি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি। হাইব্রিড কাঁচা মরিচ একটু কমে বিক্রি হচ্ছে। আলু প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা, কাঁকরোল প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়, গোল বেগুন প্রতিকেজি ৮০-৯০ টাকা, লম্বা বেগুন প্রতিকেজি ৬০-৭০ টাকা, পেঁপে প্রতিকেজি ৬০-৭০ টাকা, জালি প্রতি পিস ৫০-৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতিকেজি ৪০ টাকা, কচুর লতি প্রতিকেজি ৬০ টাকা, ঝিঙ্গা প্রতিকেজি ৬০ টাকা, ধুন্দল প্রতিকেজি ৬০ টাকা।
বাজার ঘুরে আরো দেখা গেছে- করোলা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, পটল প্রতিকেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর প্রতিকেজি ৮০ টাকা, কচুরমুখী প্রতিকেজি ১০০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৬০ টাকা এবং ঢেঁড়শ প্রতিকেজি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগে পাইকারিতে ৭৫-৮০ টাকা কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল; তখন খুচরা পর্যায়ে দর ছিল ৯০ টাকা। এখন পাইকারিতে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা। আর খুচরায় বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৯৫-১০০ টাকা। রসুনের দাম কমে কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা।
.png)
ব্রয়লার মুরগির ডিম ডজনপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজি। সব ধরনের মাছের দামই বাড়তি। বাজারে পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা। চাষের কৈ মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০-২৮০ টাকা। চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০-৬০০ টাকা। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৩৮০ টাকা। ছোট সাইজের ইলিশ মাছ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকা।
আবারও অস্থির হয়ে উঠছে চালের বাজার। মান ও দোকানভেদে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ২-৩ টাকা। প্রতিকেজি নাজিরশাইল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা, মিনিকেট ৬২ থেকে ৬৮ টাকা, বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ চাল ৫৪ থেকে ৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৫৪ টাকা এবং মোটা হাইব্রিড চাল প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায়। কোরবানির ঈদের আগে এসব চালের খুচরা দাম কেজিতে ২-৩ টাকা কম ছিল।
এদিকে, ক্রেতারা অভিযোগ করছেন- কারণে অকারণে বাজারে সব জিনিসের দাম বেড়ে যায়। আমাদের কথা কেউ ভাবে না। যথাযথ নজরদারি না থাকার কারণে ব্যবসায়ীরা এর সুযোগ নেয়। বাজারে নিয়মিত অভিযানসহ সরকারকে আরো বেশি নজরদারি বাড়াতে হবে।